বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশ

বান্দরবানে রাজকীয় অভ্যর্থনায় সাচিং প্রু জেরী: পাহাড়ি-বাঙালির মিলনমেলায় সম্প্রীতির ডাক

হাবিবুর রশিদ হিমন, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:
​পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা বান্দরবানে ফিরে এক অভূতপূর্ব ও রাজকীয় সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন সাচিং প্রু জেরী। মঙ্গলবার দুপুরে সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান পৌঁছালে তাকে বরণ করে নিতে জেলার প্রবেশমুখ হলুদিয়ায় ঢল নামে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের।

​বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল ও গাড়িবহরে জেলাজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। সড়কের দু’পাশে দাঁড়িয়ে ফুল ছিটিয়ে এবং ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান নানা পেশার মানুষ। মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সড়কজুড়ে শোভা পায় বিভিন্ন সংগঠনের তৈরি শতাধিক তোরণ। পাহাড়ি ও বাঙালি—উভয় সম্প্রদায়ের বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায়।

​শহরের প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত গণসংবর্ধনা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, “বান্দরবানকে সম্প্রীতির জেলা বলা সহজ, কিন্তু এই শান্তি ও সম্প্রীতি টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।”

​পার্বত্য অঞ্চলের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ—সবক্ষেত্রেই আমাদের পার্বত্য এলাকা এখনও পিছিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় নীতি ও সঠিক দিকনির্দেশনা অনুসরণ করেই আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে। পার্বত্যবাসীর কল্যাণে এবং এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর মূল পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বদলাবে পার্বত্য জেলাগুলোর ভাগ্য।”

​জেলা বিএনপির শীর্ষনেতা অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, আব্দুল মাবুদ, সাশৈপ্রু, মুজিবুর রশীদ, মশিউর রহমান মিঠুনসহ যুবদল, ছাত্রদল ও রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বান্দরবানের ৭টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা এবং ৩৪টি ইউনিয়ন থেকে আসা খণ্ড খণ্ড মিছিল সভাস্থলকে এক উৎসবে রূপ দেয়।

ক্যাটাগরি