চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মৎস্য আড়তের ক্যাশ বাক্স ভেঙে নগদ টাকা চুরির ঘটনায় জড়িত দুই মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মৎস্য ব্যবসায়ী মো. ওসমান তার স্ত্রীর ডেলিভারিজনিত কারণে হাসপাতালে যান। সেখানে চারদিন অবস্থানের পর গত ৩ মে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি তার মৎস্য আড়তে ফিরে এসে দেখতে পান, আড়তের সামনের দরজার তালা খোলা এবং ভেতরের সব জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। এ সময় আড়তের কর্মচারী ও তার ভাগিনা মো. গিয়াস উদ্দিনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
পরে তিনি আড়তের ক্যাশ বাক্স পরীক্ষা করে দেখতে পান, সেখানে রক্ষিত নগদ ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা চুরি হয়ে গেছে। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও বিশ্বস্ত সূত্রে তিনি জানতে পারেন, তার ভাগিনা মো. গিয়াস উদ্দিন (২৪) এবং তার সহযোগী মো. ফারুক (৪৫) অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় বাদী কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৩১, তারিখ ১৭ মে ২০২৬, ধারা ৩৮১/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়।
পরবর্তীতে মাননীয় উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), সিএমপি চট্টগ্রামের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বাকলিয়া জোন) এর তত্ত্বাবধানে এবং কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই রাশেদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ বাঁশখালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে বাঁশখালী থানা পুলিশের সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।