চট্টগ্রামে সিভাসুতে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬ উদযাপন: বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান
চট্টগ্রাম, ২৬ এপ্রিল: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, পোস্টার প্রতিযোগিতা এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মানজনক ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “ভেটেরিনারিয়ানরা খাদ্য ও স্বাস্থ্যের অভিভাবক (Veterinarians: Guardians of Food and Health)”।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এতে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. নূরুল হকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা শেষে সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, পোস্টার প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান।
আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শিরীন আক্তার এবং সিভাসু অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. ইউসুফ এলাহী চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ বিভাগের প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ডিন’স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের তিনটি শিক্ষাবর্ষের ৯ জন শিক্ষার্থীকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন—
২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ: মো. জাহেদুল হাসান রকি (প্রথম), মিনারা বেগম মুন্নি (দ্বিতীয়), তিশিতা সেন অপি (তৃতীয়)
২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ: নুসরাত বিনতে আমিন (প্রথম), মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (দ্বিতীয়), জান্নাতুল নাইমা নিতু (তৃতীয়)
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ: নজরুল ইসলাম (প্রথম), মো. তানিম ইসলাম ইফতি (দ্বিতীয়), ফারজানা আক্তার কেয়া (তৃতীয়)
এছাড়াও অনুষ্ঠানে পোস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ভেটেরিনারি পেশাজীবীদের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।