বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম

বন্দর-ইপিজেড পতেঙ্গায় সাংবাদিক সোসাইটির ঈদ পুনর্মিলনী সভা: সমস্যা ও সম্ভাবনা উত্তরণে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার

হোসেন বাবলা: ১ এপ্রিল, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর-ইপিজেড পতেঙ্গা সাংবাদিক সোসাইটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও “সমস্যা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে নগরীর রেইনবো কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক সাংবাদিক আমিনুল হক শাহিন। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন কবি সোমা মুৎসুদ্দি ও সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ বাবুল হোসেন বাবলা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ এম এ আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নগর বিএনপির সদস্য ও পতেঙ্গা নাগরিক অধিকার ফোরামের চেয়ারম্যান হাজী মুজিবুল হক কোম্পানি, নগর বিএনপির সদস্য হাজী নুরুজ্জামান কন্ট্রাক্টর, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও টিএসপির সিবিএ সভাপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, সাবেক সভাপতি হাজী মোঃ হারুন কোম্পানি, ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শরীফ, চিটাগাং রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ সোহাগ আরেফিন, চট্টগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক আয়ন শর্মা এবং নগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ক্রীড়া সংগঠক মোঃ মোশারফ হোসেন।

এছাড়া আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মোঃ হারুন উর রশীদ, সংগঠক মোঃ মোজাহের কাদের, পতেঙ্গা টিভি চ্যানেলের পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন বাহার, ইপিজেড থানা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ হোসেনী মোবারক রিয়াদ, সংগঠক রায়হান সাদ্দাম রানা, রাজনীতিবিদ মোঃ আবু জাফর আহমদ, পেশাজীবী সংগঠনের সহ-সভাপতি ডা. সানু দাশ, মোঃ জসিম উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব মোঃ হাসান রিফাত ও সাইদুর রহমান সাকিবসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম এ আজিজ বলেন, এই অঞ্চলের সমস্যাবলী দ্রুত সমাধানে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পতেঙ্গায় হাসপাতাল নির্মাণে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশেষ স্মারক পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পরিশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্বে কাওয়ালী সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে, যা উপস্থিতদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

ক্যাটাগরি