লামা-সুয়ালক সড়কের বেহাল দশা, চাম্পাতলী থেকে ডাবল ব্রিজ পর্যন্ত ভাঙন—দুর্ভোগে মানুষ
নজরুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
বান্দরবানের লামা-সুয়ালক সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়কের চাম্পাতলী, টি টি এন্ড ডি সি, সাপমারা ঝিরি, শিলের ঝিরি, গজালিয়া, বাইশপাড়ি, টংগ্যাঝিরি ও ডাবল ব্রিজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থার কারণে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা। স্থানীয়দের প্রশ্ন—গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বেহাল অবস্থা দেখার কি কেউ নেই?
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লামা-সুয়ালক সড়কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত, পণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণের অন্যতম যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও পিচ উঠে গ…
[১৯:১৮, ১৪/১০/২০২৬] মেহেদি হাসান রাঙ্গামাটি জেলা: সাজেক সড়কে ফের অবরোধের ডাক, অনিশ্চয়তায় পর্যটন ও যাতায়াত।
মেহেদী হাসান, রাঙামাটি প্রতিনিধি :
প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই আবারও সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রিত সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন। সাজেক থেকে জেএসএস সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে হুমকি বন্ধসহ ৩ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় অভিযোগ তুলে নতুন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রণকৃত সংগঠন দুটি।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি জানায়, প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য স্থগিত রাখা অবরোধ কর্মসূচি আবারও আগামীকাল থেকে শুরু হবে। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, প্রশাসনের আশ্বাসের পরও ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় জেএসএস সদস্যদের অবস্থান ও সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
এর আগে গত রোববার সকাল ৬টা থেকে দীঘিনালার জোড়াব্রিজ–সাজেক সড়কে অবরোধ শুরু করে সংগঠন দুটি। সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ ও টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হলে আটকা পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রায় সাড়ে ১২শ পর্যটক। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বিকেল ৫টার দিকে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটামে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
তবে অবরোধ প্রত্যাহারের পরও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভ্রমণণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে অবস্থানরত পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে পর্যটকেরা সাজেক ত্যাগ করায় বর্তমানে পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকশূন্য।