লামা ও আলীকদমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ৪৫ জন
নজরুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
বান্দরবানের লামা উপজেলা, লামা পৌরসভা ও আলীকদম উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারকে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি হাতে-কলমে তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি শেখানো হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৯টায় লামা উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ বিকেল ৪টায় শেষ হয়।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রভুজ বড়ুয়া। প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তানবির হাসান। এ সময় লামা ও আলীকদম উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সবাইকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিটি তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে উপস্থাপন করতে হবে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি সবাইকে জোর আহ্বান জানাচ্ছি।”
প্রশিক্ষণে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় তথ্য সংগ্রহ, তথ্য যাচাই-বাছাই এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি হাতে-কলমে শেখানো হয়, যাতে নিয়োগপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা নির্ভুলভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এদিকে, তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়িতে গেলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে।