বাঁশখালী পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি জহিরুল ইসলামের মতবিনিময়
বাঁশখালীর সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন বাঁশখালী পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। সম্প্রতি পরিষদের আহ্বায়ক প্রণব কুমার দাশ ও সদস্য সচিব সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিকের নেতৃত্বে সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতারা এ মতবিনিময়ে অংশ নেন।
এ সময় বাঁশখালী পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় সনাতনী নেতৃবৃন্দ বলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম একজন পরীক্ষিত অসাম্প্রদায়িক নেতৃত্ব। অতীতের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি তা প্রমাণ করেছেন। তার প্রতি সনাতনী সম্প্রদায়ের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।
তারা আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিলেও বাঁশখালীতে সাংসদের সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। ফলে সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে পেরেছেন।
এ জন্য তারা সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও তার সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি বলেন, “আপনারা আমার সঙ্গে আছেন কি না জানি না, তবে আমি সবসময় আপনাদের সঙ্গে আছি। কে আমাকে ভোট দিয়েছে আর কে দেয়নি, তা আমি বিবেচনায় রাখি না। আমি বাঁশখালীর সকল মানুষের প্রতিনিধি এবং সেই দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করতে চাই।”
তিনি বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তার দায়িত্ব আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। এলাকার সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তার অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালেও তিনি সবার পাশে ছিলেন এবং বর্তমান দায়িত্বে থেকে আরও বেশি আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চান।
এ সময় তিনি অবহেলিত মন্দির ও এলাকার রাস্তাঘাটের তালিকা প্রস্তুত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ধাপে ধাপে বরাদ্দের মাধ্যমে এসব স্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।”
মতবিনিময় সভা শেষে বাঁশখালীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।