মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশ

জাতীয় ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ পাচ্ছেন খুবির দুই অধ্যাপক

শেখ তৈয়ব,খুলনা জেলা প্রতিনিধি:

বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’র জন্য নির্বাচিত হয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই অধ্যাপক। তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান।

শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও শিক্ষকতায় উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের জাতীয় পর্যায়ের এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। বিষয়টি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ৫ অক্টোবর ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। সম্মাননার অংশ হিসেবে নির্বাচিত শিক্ষকদের ক্রেস্ট, সম্মাননা সনদ ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

২০২৬ সালের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সরকার দেশের বিভিন্ন স্তরের গুণী শিক্ষকদের জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষক নির্বাচন করা হয়েছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত অবদানের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপকের এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে এ সম্মাননা পাওয়া খুবির জন্য আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। এ ধরনের স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকদের শিক্ষা ও গবেষণায় আরও উৎকর্ষ অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত)প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান*দুই অধ্যাপককে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস প্রতি বছর *৫ অক্টোবর* পালিত হয়। UNESCO-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দিবসটি এখন জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে এবং ২০২৬ সালে শিক্ষকদের অবদান ও মর্যাদা স্বীকৃতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপকের জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্যাটাগরি