সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশ

নগরের মনসুরাবাদে হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন

নগরের মনসুরাবাদে হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন

বাদী ( মৃত আবু সিদ্দিকের ছেলে আসলামের) বক্তব্যে চারজন আসামীকে এজহার করা হলেও চাক্ষুষ সাক্ষীদেরও আসামী করে এজহারভুক্ত করাতে ঘটনায় টুইস্ট দেখা দেয়। এ বিষয়ে মানব বন্ধনে মৃত আবু সিদ্দিক এর ছেলে মিডিয়াকে বলে আমি আসামী হিসেবে চারজনের নাম উল্লেখ করে এজহার দায়ের করি। পরে দেখি পুলিশ সাত জনের নাম দিয়েছে।

টুইস্ট হল মানব বন্ধনে ৫, ৬, এবং ৭ নাম্বার আসামীর পরিবারের লোকজনও শামীল হয়। তাদেরও দাবি যারাই এ হত্যাকান্ডের মূল আসামী তাদের ফাঁসি হোক, তবে পুলিশ যাদের ইচ্ছাকৃত আসামী বানিয়েছে তাদের খালাস দেয়া হোক।

স্থানীয়দের থেকে খবর নিয়ে জানা যায়, আবুল বশর গাড়ির মালিক, পেয়ার আহম্মেদ গেরেজ মালিক, মিজান ২য় গ্যারেজ মালিক, এবং রুবেল যে বৃদ্ধকে মারধর করেছে তার চাক্ষুষ সাক্ষী। এখন রুবেল যে জলজ্যান্ত একটা মানুষকে মারতে মারতে মেরে ফেলবে তা তো কারো জানা ছিলনা। যে যার বাসায় চলে গিয়েছে। পেয়ার আহমদের গেরেজে সকাল হলে যখন লাশ দেখতে পায় তখন জানতে পারে মাধরের আঘাতে হয়ত মারা গিয়েছে। রুবেল তা বুঝতে পেরে লাশ গুম কারার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সফল হয়নি এমনটাই বলছিল স্থানীয় বাসিন্দারা, আবুল বসর এবং পেয়ার আহম্মদ।

এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত বাদীকে এজহারের কপি এখন পর্যন্ত দেয় নি, এখানেই আইনের বাধ্য বাধকতা, নানা মহলে এ নিয়ে পুলিশের বাহবার বদল দূর্নীতির ইঙ্গিত উঠছে।

কোন ধরণের দূর্নীতি..?

সাক্ষীকে যদি আসামী করা হয় তাহলে মামলা স্বাভাবিক ভাবেই গ্রাউন্ড তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে যায়, আইনের ফাক বড় হয়ে যায়, অর্থাৎ অনেক ঘটনায় মূল আসামীকে সনাক্ত করতে পারে চাক্ষুষ সাক্ষী, এখন সাক্ষী যদি এজহার ভুক্ত আসামী হয়ে যায় তাহলে এ মামলার গ্রাউন্ড দূর্বল হয়ে যায়, এতে করে আসামী জামিন পেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিচার পক্রিয়া দীর্ঘ সূত্রতা পায় এমনটাই বক্তব্য দেন একজন আইনজীবী।

ঘটনা যেহেতু একই এলাকায় আসামী এবং ভুক্তভোগী সেহেতু এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য থানায় গিয়েও ওসি শাহীনুর আলম এর বক্তব্য পাওয়া যায় নি। পাওয়া যায় নি সহকারী পুলিশ কমিশনার এর কোন বক্তব্য।

এলাকাবাসী বলছে যদি সাক্ষী দিতে গিয়ে পুলিশ কাউকে বিনা দোষে এজহার ভুক্ত করে ফেলে তাহলে মানুষ আর কোন দিন পুলিশেকে সাক্ষী দিতে যাবে না। এই ঘটনায় পুলিশের এমন কর্মকান্ডে পুরো পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর ক্ষতি হবে জানিয়েছে নাম না বলা শর্তে পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

শুধু তাই নয় পুলিশ কেন সাক্ষীদের আসামী বানাল এ বিষয়ে তার থানারই এক কর্মকর্তা অবলিলায় বলে ফেলে সাক্ষীদের কেন আসামী করল তা আমারও বোধগম্য নয়, এ বিষয়ে ওসি জানে ওসি ওদের আসামী করেছে। তবে এই কারণে মামলাটি হালকা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিষয়ে একটি অডিও ও ভিডিও ক্লিপ আমাদের হাতে রয়েছে।

ক্যাটাগরি