রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম

আলীকদমে বন্যা পরবর্তী সহায়তায় ‘মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন’: মানবতার সেবায় ইউনুছ মিয়া

আলীকদম প্রতিনিধি, বান্দরবান:
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি নেমে গেলেও আলীকদমে রেখে গেছে ব্যাপক ক্ষতচিহ্ন। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলের ক্ষতিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। বন্যা পরবর্তী এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ‘মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন’। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ইউনুছ মিয়ার উদ্যোগে বন্যাদুর্গত এলাকায় চলছে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা।

​বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ ও খাদ্য সংকটে মানুষের দুর্ভোগ যখন চরমে, ঠিক তখনই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দোরগোড়ায় ছুটে গেছেন ইউনুছ মিয়া। তিনি নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

​এলাকাবাসী জানান, ইউনুছ মিয়ার এই মানবিক উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৩ সালের ভয়াবহ বন্যাতেও তিনি আলীকদমের পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছিলেন। সেবারও তিনি দিনরাত এক করে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিয়েছিলেন।

​জানা যায়, শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগেই নয়, এলাকার গরীব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের যেকোনো বিপদে সবসময় পরম বন্ধুর মতো পাশে থাকেন ইউনুছ মিয়া। বিশেষ করে অসহায় ও দুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য তিনি নিয়মিত সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন। টাকার অভাবে যেন কোনো অসহায় মানুষের চিকিৎসা থেমে না যায়, সেজন্য তিনি সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

​বন্যা পরবর্তী এই সহায়তা নিয়ে কথা বললে এলাকার সাধারণ মানুষ জানান, বন্যার সময় অনেকেই পাশে থাকলেও পানি নেমে যাওয়ার পর মানুষের যে হাহাকার তৈরি হয়, তখন ইউনুছ মিয়ার মতো মানুষরাই প্রকৃত ত্রাতার ভূমিকা পালন করেন। তার এই ত্বরিত পদক্ষেপে অনেক পরিবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাচ্ছে।

​‘মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান ইউনুছ মিয়া জানান, “বন্যার পানি নেমে গেলেও মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। এই সময়ে তাদের সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই আমাদের ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার।”

​তার এই মহতী উদ্যোগের ফলে আলীকদমের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। সমাজের বিত্তবানরা তার মতো এভাবে এগিয়ে এলে বন্যা পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্বাসন আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা

ক্যাটাগরি