সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতি

আবাসন শিল্পের বিরাজমান সংকট উত্তরণে প্রয়োজন দক্ষ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব মো: আব্দুল আজিজ

আবাসন শিল্প যেকোনো দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম এই খাতটি বর্তমানে বহুমুখী হনুখী সংকটে নিমজ্জিত। নির্মাণ উপকরণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ সুদে ব্যাংক ঋণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং নীতিমালার ঘন ঘন পরিবর্তন এই শিল্পকে স্থবির করে দিয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোনো সাধারণ সংস্কার যথেষ্ট নয়। বরং প্রযোজন যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্ব।

আবাসন খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত এবং এর সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৫০টিরও বেশি শিল্পখাত জড়িত। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, অর্থায়নে সংকট এবং বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে আবাসনশিরে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আবাসন খাতকে টিকিয়ে রাখা এবং চলমান প্রকল্পগুলো সচল রাখতে তিন হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা জরুরী। একই সঙ্গে মধ্যবিত্ত ও স্ট্রিমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণ সুবিধা চালু এবং ব্যাংকগুলোতে হাউজিং লোন অনুমোদন অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার কোন বিষন্ন নেই।

আবাসন খাতের বড় একটি সমস্যা হলো সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয়ের অভাব। একজন যোগ্য নেতাকে অবশ্যই সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই খাতের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। বিশেষ করে ডিএপি (DAP) বা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে যৌক্তিক পরিবর্তনের
জন্য সামসের সাথে কথা বলাতে হবে। রড, সিমেন্ট ও অনান্য কাঁচামালের সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রয়োজন। সাহসী নেতৃত্বই পারে বাজার অস্থিতিশীলকারী চক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে এবং বিকল্প আমদানির পথ সুগম করতে।

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহরনের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে এবার লড়াই জমে উঠেছে। প্রথমবারের মতো সভাপতি, ৬ সহসভাপতি ও ১৯ পরিচালক পদের সবটিতে সরাসরি নির্বাচন হবে। সংগঠনটির ২৯ পদের জন্য ৭৭ জন ব্যবসায়ী প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে তিন প্যানেনের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।

১৮ এপ্রিল শনিবার রাজ্যনীর ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। ভোটার সংখ্যা ৬৭৪ জন, যাদের মধ্যে ঢাকার ৬১৩ জন ও চট্টগ্রামের এবার রিহ্যাবের বর সদস্যদের সদস্যদের নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট জোট আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ পুর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। আরেক জোট জাগরণ ১৫ জনের খন্ডিত পানেল দিয়েছে। আগে রিহ্যাবে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হতো। কিন্তু ক্ষমতারত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এর ছন্দপতন ঘটে। ২০১৪ সালে ভোট ছাড়াই অভলমগীর শামসুল আলামিন সভাপতি পরের তিন মেয়াদেও সমঝোতায় কমিটি গঠিত হয়। ১০ বছর পর ২০২৪ সালে ভোট ফিরে আসে এবং আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ জয়ী হয়। এমিন সভাপতি হন। সংশোধনের জন্য আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ চেষ্টা করবে।

রিয়েল এস্টেট খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট এন্ড হাটিজং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহাব) এর আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে আবাসন ব্যবসায়ীদের প্লাটফর্ম ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’ ২৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি পুর্ণাঙ্গ প্যানেল নির্বাচন করছেন।
মোষিত পানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো। ওয়াহিদুজ্জামান এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট দিয়াকত আলী ভূইয়া।

বনানী ক্লাবে এক জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন এম এ আউয়াল প্যানেল ঘোষণা করেছিলেন। আমার বিশ্বাস আবাসন ব্যাবসায়ীদের কল্যাণে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদকেই বিজয়ী করতে হবে।
প্যানেলে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত হয়েছেন মোঃ আক্তার বিশ্বাস (ভাইস প্রেসিডেন্ট-১), মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (ভাইস প্রেসিডেন্ট-২) এবং ইঞ্জিনিয়ার মহসিন মিয়া (ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩)। ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিনান্স) পদে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার শেখ শোয়েব উদ্দিন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট (চট্টগ্রাম) হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোহরদ মোরশেদুল
হাসান এছাড়া পরিচালক পদে মনোনীতনের মধ্যে রয়েছেন মোঃ মাহবুবুর রহমান, মোঃ জাহিদ হোসেন, হক মিনাল্লাহ শেভার, ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুণ ফরহাদ নেতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে দরকষাকষি করে আবাসন খাতের জন্য বিশেষ ‘ফান্ড’ বা ‘রি-ফাইনান্সিং’ স্কিম চালু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন
একটি প্রকল্প শুরু করতে ডজনখানেক সংস্থার ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপন ও দুর্নীতি শিল্পের খরচ বাড়িয়ে দেয়। একজন সাহসী নেতুতুই পরেন ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ কার্যকর করার মাধ্যমে এই দীর্ঘসুরতা কমিয়ে আনতে এবং সিস্টেমে ঋচ্ছতা নিশ্চিত করতে যোগ্য নেতৃত্ব শুধু বর্তমান মুনাফা দেখেন না, বরং অবিবাৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য শহর গড়ার পরিকল্পনা করেণ। এ করেণ। পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গ্রিন আর্কিটেকচার উৎসাহিত করার জন্য আধুনিক মানসিকতাসম্পন্ন নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই আবাসন শিল্প আজ যে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, তা থেকে বের হতে হলে প্রথাগত নেতৃত্ব নিয়ে চলবে না। এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন যারা ঝুঁকি নিতে জানেন, যাদের পেশাদারিত্ব প্রশ্নাতীত এবং যারা ব্যক্তিগত লাভের চেয়ে সামগ্রিক শিল্পের স্বার্থকে বড় করে করে দেখেন। যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বই পারে আবাসন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করে সাধারণ মানুষের ‘একখণ্ড নিজস্ব নীড়’ এর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে। সম্ভবনাময় আবাসন শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে, ২১ শতাংশ আর বাংরাদেশের শিল্প খাতের ১৫ শতাংশ আয় হয় এ আবাসন খাত থেকে।

ফিলিপ, মোঃ আশিকুল হক, মোঃ মোঃ মোবারক মোবারক হোসেন), নোঃ ফারুক আহমেদ, প্রদীপ কর্মকার, নি, সুরাজ সরদার, মোঃ জহির আহমেদ, এমদাদুল হক, ক্যাপ্টেন শাহ আলম, মিসেস উড়ে আহান আরজু, মোহারুদ আলিমুল্লাহ, মোঃ রাগিব আহসান, মোঃ আলী, শেষ কামাল, মোহাহ্রদ শহিদুল হক, ব্যারিস্টার তারেক আকবর খোন্দকার এবং তাসনোভা মাহবুব সালাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক পদে রয়েছেন মোহাজদ জাফর এবং এএসএম আব্দুল গফয্যার মেয়াজী। ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রামের রিজিয়ন প্রার্থী হলেন- যোঃ
‘রিহ্যাবে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। এমনকি ওয়াদা অনুযায়ী সময়মতো নির্বচন দিয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হলে ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত রাখবে। গত দুই বছরে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ড্যাপ সংশোধন করার পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে জারা নেওয়া জমি নামজারির সুবিধা আদায় করেছে। এ ছাড়া গৃহখল দুই কোটি থেকে চার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আপ সংশোধন হলেও কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি রয়েছে। সেগুলো
আবদুল আজিজ, নূর মোহায়দ, মোহায়দ হাবিব, আলহাজ্জ এমদাদুল্লাহ, আনোয়ারনা কবির, খুরশিদ আলম, আধাসন ব্যবসায়ীদের প্রত্যজশা, এই প্যানেল নির্বাচনে বিজয়ী হলে রিয়েল এস্টেট খাতের উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্রাহক সেবার
মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মধ্যবিত্তের জন্য দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্প সুদে গৃহঋণের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি। একজন দূরদর্শী
Real Estate & Housing Association of Bangladesh

প্রায় ২০ লাখের বেশি মানুষ এ খাতে সংশ্লিষ্ট।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর এ মহানগরীতে ১০ শতাংশ হারে লোকসংখ্যা বাড়ছে। অথচ এ হারে আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠছে না। রিহ্যাবের তথ্য মতে, প্রতিবছর এক লাখ ফ্ল্যাট তৈরি হলে বর্ধিত জনসংখ্যার আবাসন সমস্যার সমাধান হতো। কিন্তু বাস্তবাচ্চ বর্তমানে ভিন্ন। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে বেড়ে গেছে নির্মাণ সামন্ত্রীর সাম। এছাড়া জমির মূল্য বৃদ্ধি, ডলার সংকট, ব্যাংকগুলোর আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগে অনীহা, ব্যাংক সুদ বৃদ্ধি, গ্যাস- বিদ্যুতের সংযোগ সমস্য, ড্যান্স, দুরট নিবন্ধন ফি বৃদ্ধির মতো সমস্যাগুলো আবাসন শিল্প খাতে এখন বড় সংকট।
এতো এতো সমস্যা নিয়ে সেনা সংযোগ প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতা, ভুতুরে বিল এ খাতে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। বাস্তবসন্ত্রতভাবে ড্যাপ বাস্তবায়ন ও জলাধার আইন চূড়ান্ত না হওয়ার কারণে আবাসন শিল্প বিকশিত হতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাত্র ৫-৭ ভাগ আবাসন খাতে ব্যবহার হচ্ছে, তাই বিদ্যুাত সংযোগে নেতিবাচক ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা, কর অবকাশ সুবিধা, প্রবাসীদের বিনিয়োগ সুবিধা এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া আবাসন ব্যবসায়ীদের ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে রিহ্যাবকে সরকারের সাথে সমন্বয় করে আরে কিছু পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন এখন সময়ের দাবি। রাজউকের সাথে সমন্বয় করে রিহ্যাব রাজউক নকশা বিভাগ চালু করা, যাতে কম খরচে ঝামেলামুক্ত উপায়ে “One Stop Service” চালু করে নকশা অনুমোদন করা যায়।
* রিহ্যাব সদস্যদের জন্ম প্রকল্পের তালিকা তৈরি করা, জমির মালিক ও ডেভেলপারদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান করা
* দেশি-বিদেশি অর্থায়নে রিহ্যান সদস্যদের জন্য তহবিল গঠন, যাতে স্বল্প সুদে সদস্যরা প্রজেন্ট লোন নিতে পারেন এবং এর সুবিধা ক্রেতাদের দিতে পারে।
* সরকার অনুমোদন স্বাপেক্ষে একটি রিহরব ব্যাংক চালুর উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে স্মাট ক্রয় করলে তাদের ব্রেমিটেন্স বেনিফিট দেয়া যেতে পারে।
* প্রকল্প চলাকালীন রিহ্যাব সদস্যারা স্থানীয় হয়রানির শিকার হলে তাদের নিরাপত্তা দেয়া।

এনবিআর ও সরকারের সাথে আলোচনা করে চুয়াট রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর উদ্যোগ নেয়া। রিহ্যাব সদস্যদের মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রধনকারী
১০ জনাকে সিদ্ধাইলি ঘোষণার উদ্যোগ নেয়া। যেসব আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এখনো সদস্য হয়নি, যাচাই বাছাই সাপেক্ষে তাদের সদস্য করা। নির্মাণ কাজে নিহত শ্রমিকদের জন্য একটি কল্যাণ তহবিল গঠন।
তুমি মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তিকরণে ব্যবস্থা এছাড়াও রিহ্যাব সদস্যাদের সুবিধার্থে একটি ইউটিপিট। উটিলিটি সেল, একটি রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় করা যেতে পারে।
এর ফলে সেদিন দূরে নয়, যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বে দেশের আবাসন খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, ফ্ল্যাট, ভূমি মালিক ও ডেভেলপারদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশের আবাসন খাত তার কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌছাবে।
লেখক। চেয়ারমান ন্যাশনাল এনভারনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, সিটিজি টাইমস ও চ্যানেল কর্ণফুলী।

ক্যাটাগরি