শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিদর্শনে ঝুঁকিপূর্ণ মগনামা জেটিঘাট: দ্রুত সংস্কারের আশায় মানুষ

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা ও কুতুবদিয়ার মধ্যে বঙ্গোপসাগর পারাপারের একমাত্র ভরসা মগনামা জেটিঘাট বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জেটিঘাটটি এখন কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

শনিবার ঘাটটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে পরিদর্শন শেষে কোনো নির্দেশনা বা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেটির পিলার, রেলিং ও পাটাতনে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। নৌযান ভেড়ানোর জন্য নির্মিত দুটি সিঁড়ি মূল পাটাতন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইজারাদার গাছের তক্তা দিয়ে কোনো রকমে মেরামত করে যাত্রী ও মালামাল ওঠানামা চালু রাখলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এই জেটিঘাট থেকে প্রতিদিন কুতুবদিয়ার ঐতিহাসিক হযরত মালেক শাহ (র.)-এর মাজারসহ একাধিক পয়েন্টে নৌযান চলাচল করে। পাশাপাশি কক্সবাজার ফিশারিঘাট, মহেশখালীসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বঙ্গোপসাগরে আহরিত মাছ বিক্রির ক্ষেত্রেও ঘাটটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

এছাড়া কুতুবদিয়া চ্যানেলের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন শত শত পর্যটক এই ঘাটে ভিড় করেন। ফলে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই জেটিঘাট ব্যবহার করছেন।

পরিদর্শনের পর স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই জেটিঘাটটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

সচেতন মহল বলছে, বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই জরুরি ভিত্তিতে এ জেটিঘাট সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

ক্যাটাগরি