রাঙ্গামাটির কাউখালীতে আশিকার পুষ্টি বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
মোহাম্মদ মামুন, কাউখালী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:
হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং আশিকা ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটস (আশিকা)-এর বাস্তবায়নে “অ্যাক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই দ্য মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস, বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রকল্পের অবহিতকরণ (ইনসেপশন) সভা সোমবার সকাল ১০টায় কাউখালী উপজেলার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইপসার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আশিকা এসএমটি সদস্য সুশোভন চাকমা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিবলী সাফিউল্লাহ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এনামুল হক চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুচয়ন চৌধুরী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নীতা চাকমা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জিনি চাকমা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের লাইভলিহুড অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট মো. নাজমুল হুদা, প্রকল্প সমন্বয়কারী হিল্লোল চাকমা, উপজেলা সমন্বয়কারী চিংথোয়াই মং মারমা, আশিকার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, হেডম্যান, কারবারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় রাঙামাটি জেলার কাউখালীসহ মোট ১০টি উপজেলায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের তীব্র অপুষ্টি (SAM) ও মাঝারি তীব্র অপুষ্টি (MAM) শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুষ্টিসেবা প্রদান, জীবিকা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শিশু অপুষ্টি প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ, মাতৃ ও শিশুপুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো অপুষ্ট শিশুর শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা অপুষ্টিমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার আওতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।