চট্টগ্রাম, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ , ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

প্রকাশ: ৪ এপ্রিল, ২০২৪ ১২:৪২ : অপরাহ্ণ

 

যে হারে গরম বাড়ছে তাতে বাইরে বেরনো দায়। খুব দরকার ছাড়া ঘরবন্দি হয়েই কাটাতে হচ্ছে বেশিরভাগ সময়টা। এদিকে শুধু ফ্যানের বাতাসে স্বস্তি পাওয়া মুশকিল হয়ে উঠেছে। তাই দেখা যায় অধিকাংশেরই সঙ্গী হয়ে উঠেছে এসি অথবা এয়ার কুলার। কিন্তু সবসময় এসি বা কুলার চালালে বিদ্যুৎ বিলও তো আসবে আকাশছোঁয়া। তাই চলুন জেনে নেই কয়েকটি ঘরোয়া উপায়, যেভাবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ঘর ঠান্ডা থাকবে। দেখে নেয়া যাক সেগুলো-

নজর দিন আসবাবের দিকে: ঘরে হালকা ডিজাইনের আসবাব রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে যে ঘরে আপনি ঘুমান, সেখানে যথাসম্ভব কম আসবাব রাখুন। এতে ঘরের ভেতর ভ্যাপসা ভাবটা কমে যাবে।

 

সূর্যাস্ত হলেই খুলে দিতে হবে জানলা: দিনের বেলা নয়, সূর্যাস্তের পরে জানলা খুলুন। গ্রীষ্মকালে দিনের বেলা গরম বাতাস বয়। তাই এই সময়টা জানলা বন্ধ রাখাই ভালো। তবে সূর্যাস্তের পরে যখন তাপমাত্রা কিছুটা কমে যায় এবং ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করে তখন জানালা-দরজা খুলে দিতে হবে, যাতে বাতাস ঘরের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। ঠান্ডা বাতাসে ঘরের গুমোট হাওয়া বেরিয়ে যাবে।

 

জানালার পর্দা ও বিছানার চাদর: জানালায় ব্যবহার করুন কিছুটা ভারী রঙের পর্দা। যাতে বাতাস ঢুকলেও তাপ ঢুকতে না পারে। যে ঘরে প্রচুর রোদ পড়ে সেখানে বাঁশের চিকও ব্যবহার করতে পারেন। বিছানায় সাদা বা হালকা রঙের চাদর ব্যবহার করুন। এতে তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। তাই বিছানাও কম গরম হবে।

এক্সজস্টেড ফ্যান: ঘর ঠান্ডা রাখতে ঘরের ভেন্টিলেশন ঠিক রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বাথরুম, কিচেন বা অন্যান্য কক্ষেও এক্সজস্টেড ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া রান্নার সময় পুরো ঘর গরম হয়ে যায়। তাপ বের করে দিতে সহায়ক হবে এটি। রান্নার সময় সম্ভব হলে কিচেনের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে জানালাগুলো খুলে দিতে পারেন। এতে তাপ ঘরের ভেতরে ঢুকতে পারবে না।

 

পানিতে ঘর ঠান্ডা: ৩-৪ বালতি পানি জানলার নিচে রেখে দিন। তাতে পর্দার নিচের অংশটা ডুবিয়ে দিয়ে চালিয়ে দিতে হবে ফ্যান। ফল ধীরে ধীরে ফ্যাব্রিকের মধ্যে দিয়ে উপরের দিকে যায়। তার মধ্যে দিয়ে বাতাস এসে গোটা ঘর ঠান্ডা করবে।

Print Friendly and PDF