চট্টগ্রাম, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ , ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাজারে সবজির দাপট, কমেছে মুরগির দাম

প্রকাশ: ১৫ মার্চ, ২০২৪ ১:৫৬ : অপরাহ্ণ

 

রমজানকে কেন্দ্র করে  বাজারে বাড়তি সবজি ও মাংসের দাম। রমজানের প্রথম দিন ৯০ টাকা কেজি দরে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হলেও চতুর্থ রমজানে এসে শসা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা করে। শসার মতো ১০০ ছুঁয়েছে বরবটি ও পটলের দামও। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে অন্যান্য ধরনের সবজির দাম বাড়তিই রয়ে গেছে।  তবে সপ্তাহ ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। শুক্রবার (১৫ মার্চ)  বিভিন্ন বাজার ঘুরে তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখীর কেজি ১০০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকায়, শসা ১০০ টাকা, খিরা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে। পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ১০০ টাকা, পটল ১০০ টাকা ও সজনে ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  প্রতি কেজি মুলা ৪০ টাকা, শিমের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনে পাতার কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ব্রোকলি প্রতিটি ৩০ টাকা। পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আলু ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আল আমিন তুর্জ বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে রমজান মাসে সব কিছুর দাম কমিয়ে দেওয়া হলেও, আমাদের দেশে ঘটে উল্টোটা। সবজির দাম বেড়ে যায়। সেই জিনিস বেশি কেনে মানুষ, সেটার দামই বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আমাদের মত সাধারণ মানুষ শসা কীভাবে ১০০/১২০ টাকা কেজি দরে কিনবো? এছাড়া লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা হালি, পটল, বরবটির দামও প্রতি কেজি ১০০ টাকার ওপরে।

 

এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ২০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি, যা গত সপ্তাহে ২২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল, সোনালি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩৪০ টাকা দরে। সোনালি হাইব্রিড ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ২৯৫ টাকা এবং সাদা লেয়ার ২৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  এছাড়া বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম ১৪০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

ক্রেতারা জানান, মুরগির দাম কমলেও স্বস্তিতে নেই তারা।  কারণ কম ওজনের মুরগি বাজারে তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। কিনতে গেলে বড় মুরগি কিনতে হচ্ছে। ফলে প্রয়োজন না থাকার পরও অনেককে বেশি ওজনের মুরগি কিনতে হচ্ছে। ওজন বেশি হলে দামও বেশি আসে। আর কম ওজনের মুরগি পাওয়া গেলেও স্বাভাবিকের চেয়ে দাম কিছুটা বেশি।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংসের কেজি ১ হাজার ৫০-১ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির কারণে সপ্তাহ ব্যবধানে দাম কিছুটা কমেছে। দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পুরোনো দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Print Friendly and PDF