চট্টগ্রাম, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চালু হচ্ছে রাজশাহী-মুর্শিদাবাদ নৌপথ

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ৯:৫৭ : পূর্বাহ্ণ

 

 

দীর্ঘ ৫৯ বছর পর রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চালু হতে যাচ্ছে আšতর্জাতিক নদী বন্দর। গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ থেকে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার মায়া এলাকা পর্যšত নৌ রুটে শুরু হবে পণ্য পরিবহন। আগামীকাল উদ্বোধন হবে সুলতানগঞ্জ নদী বন্দরের। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে সময় ও খরচ দুইই কম লাগবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সুলতানগঞ্জ নদী বন্দরটি রাজশাহীর জন্য বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।

 

ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের আগে পদ্মা নদী ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। রাজশাহী থেকে নৌপথে পণ্য পারাপার হতো দুই দেশের মধ্যে। তবে ফারাক্কা বাঁধ নির্মানের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। নগরীতে এখনও জাহাজঘাট ও আলুপট্টি নামে দুটি ঘাট থাকলেও নেই বন্দরের সেই ব্য¯ততা আর জাহাজের আনাগোনা।

 

রাজশাহীর সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, আবারও পদ্মা নদী দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পারাপার শুরু হতে যাচ্ছে। রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মায়া এলাকা পর্যন্ত চালু হতে যাচ্ছে নৌরুট। দূরত্ব মাত্র ২০ কিলোমিটার। সুলতানগঞ্জ নৌ-বন্দর দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ভারত থেকে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, পাথর, মার্বেল, খনিজ বালু ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী বাংলাদেশে আসবে। আর বাংলাদেশ থেকে বস্ত্র, মাছ, পাট ও পাটজাত পণ্য ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভারতে যাবে।

 

বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, সুলতানগঞ্জ বন্দরটি চালুর পর ভারতের সাথে ফেরি চলাচল শুরু করার পরিকল্পনাও আছে।

রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু জানান, রাজশাহী-ধুলিয়ান হিসেবে পরিচিত এই নৌরুটটি চালু হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে অনেকের। ১২ই ফেব্রুয়ারি রাজশাহী-ধুলিয়ান নৌপথের উদ্বোধন করতে প্রস্তুতি নিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

 

 

সুত্র:বৈশাখী অনলাইন

Print Friendly and PDF