চট্টগ্রাম, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শীতের নাস্তার দুই রেসিপি

প্রকাশ: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১:১৩ : অপরাহ্ণ

 

শীত মানে বাজারজুড়ে রংবেরঙের সবজির বাহার। আর সবজি মানবদেহের জন্য খুবই উপকারি এ কথা বলাই বাহুল্য। শীতকালে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও পালং শাক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পদ বানানো যায়। তবে কখনো কী বাঁধাকপির রোল আর  পালং শাকের পাকোড়া খেয়েছেন? না খেয়ে থাকলে আজই তৈরি করে স্বাদ নিন। এই রোল আর পাকোড়া খেতে বেশ সুস্বাদু। বানানোও সহজ। চলুন তবে জেনে নিই মচমচে বাঁধাকপির রোল আর মুচমুচে পালং শাকের পাকোড়া তৈরির রেসিপি:

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক বাঁধাকপির রোল  বানাতে কি কি লাগবে ও এর রন্ধন প্রনালী

 

যা উপকরণ লাগবে: 

একটি বাঁধাকপি, ভাজার জন্য তেল,

 

পুরের উপকরণ-

মুরগী বা গরুর কিমা এক কাপ, গাজর, মটরশুটি, ক্যাপসিকাম এক কাপ, টমেটো কুচি, সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ কুচি ৩ কাপ, আদারসুন বাটা ১ চামচ, মরিচ কুচি স্বাদ মতো, ভাজা জিরার গুঁড়া চার চামচ, গরম মসলা এক চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া এক চামচ, লবণ স্বাদমতো,  ধনেপাতা কুচি তিন চামচ।

 

ব্যাটারের উপকরণ-

বেসন এক কাপ, লবণ স্বাদমতো, চালের গুঁড়া দুই চামচ, হলুদ এক চামচ, মরিচের গুঁড়া স্বাদমতো ও বেকিং পাউডার আধা চামচ।

 

রোল তৈরির প্রণালি: 

প্রথমে আদারসুন বাটা দিয়ে কিমা সিদ্ধ করে নিন। এরপর পুর তৈরির জন্য ননস্টিক পাত্রে তেল দিন। এরপর পেঁয়াজ, মরিচ, ক্যাপসিকাম, টমেটো কুচি, ভাজা জিরার গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। সবজি সামান্য নরম হয়ে এলে এতে কিমা সিদ্ধ দিয়ে দিন। চার মিনিট নেড়ে লবণ ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। এরপর ব্যাটার তৈরির সব শুকনো উপকরণগুলো মিশিয়ে পানি দিন অল্প অল্প করে। বেশি ঘন বা পাতলা যেন না হয় ব্যাটার।

এবার একটি একটি করে বাঁধাকপির আস্ত পাতা আলাদা করুন। পাতার পেছনের শক্ত অংশ সাবধানে কাটবেন। চুলায় একটি পাত্রে পানি ও স্বাদ মতো লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে বাঁধাকপির পাতা দিন। একবারে সব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কয়েকটা দিন। ১৫ সেকেন্ড পর উঠিয়ে নিন। এভাবে সবগুলো পাতা সেদ্ধ করুন।

এবার তৈরি করে রাখা পুর পাতার একপাশে রেখে রোলের মতো করুন। এবার ব্যাটারে চুবিয়ে ডুবতেলে মচমচে করে ভেজে টমেটোর সস দিয়ে পরিবেশন করুন। ব্যস হয়ে গেল বাঁধাকপির মচমচে রোল।

 

পালং শাকের পাকোড়া: 

পালং শাকের রয়েছে অনেক খাদ্যগুণ। ভিটামিন ‘ডি’ ছাড়া বাকি সব ভিটামিনই এতে রয়েছে। এই সময়ে পালং শাক খুব পাওয়া যায়। সন্ধ্যার আড্ডায় সহজেই পালং শাকের পাকোড়া বানিয়ে নেওয়া যায়, আর খেতেও ভীষণ সুস্বাদু। যারা এই রেসিপিটি এখনও ট্রাই করেননি, তাদের জন্য রইলো রেসিপি।

 

যা লাগবে: 

পালং শাক কুঁচি দুই কাপ, রসুন কুঁচি দুই কোয়া, পেঁয়াজ কুঁচি একটি, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, গুঁড়া মরিচ সামান্য, কাঁচা মরিচ কুঁচি দুই চা চামচ, ধনেপাতা কুঁচি আধা কাপ, চালের গুঁড়া পাঁচ চামচ, লবণ স্বাদমতো।

 

যেভাবে বানাবেন: 

প্রথমে একটি পাত্রে পালং শাক কুঁচি, রসুন কুঁচি, পেঁয়াজ কুঁচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা গুঁড়া, গুঁড়া মরিচ, কাঁচামরিচ কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি, চালের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। পানি দেওয়া যাবে না। তারপর কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে দিতে হবে। এবার মেখে রাখা পালং শাক গোল গোল করে শেপ করে ডুবো তেলে ভাঁজতে হবে। লাল লাল হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার পালং শাকের পাকোড়া।

 

 

সুত্র:বৈশাখী অনলাইন

Print Friendly and PDF