চট্টগ্রাম, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ , ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা

প্রকাশ: ৩ জানুয়ারি, ২০২৪ ১০:১৮ : পূর্বাহ্ণ

 

আগামী রোববার ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে মাঠে নেমেছে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। তারা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মহানগরী এলাকার মোড়ে এবং অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

এতে বলা হয়েছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হয়েছে। ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে সশস্ত্র বাহিনী।

 

এসময় প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্টও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন¡য়ের মাধ্যমে বাহিনীসমূহ এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে। সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

 

এছাড়াও সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সাথে এবং উপক‚লীয় ৪টি উপজেলায় কোস্ট গার্ড এর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। উপক‚লীয় দুটি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) সর্বমোট ১৯টি উপজেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারযোগে দূর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্র সমূহে প্রয়োজনীয় হেলিকপ্টার সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়াও জরুরী প্রয়োজনে নির্বাচনী সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন¡য়ে যৌথ সমন¡য় সেল স্থাপন করা হয়েছে। যা ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত কার্যকরী থাকবে।

 

 

সুত্র:বৈশাখী অনলাইন

Print Friendly and PDF