চট্টগ্রাম, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শীতে ব্যথা কমানোর ৫টি কার্যকরী উপায়

প্রকাশ: ১ জানুয়ারি, ২০২৪ ৩:৩২ : অপরাহ্ণ

 

শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া এবং একইসঙ্গে তাপমাত্রাও কমে যায়। ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথার তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠান্ডা আবহাওয়া হাড়ের মধ্যে প্রবেশ করে জয়েন্টগুলোকে শক্ত করে। এতে আর্থ্রাইটিস, ফাইব্রোমায়ালজিয়া ও অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এসব ব্যথায় মোকাবিলার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভি। এবার তাহলে শীতে হাড়ের ব্যথা কমানো সম্পর্কে উপায়গুলো জেনে নেয়া যাক।

উষ্ণ থাকা: শীতে ব্যথা কমানোর জন্য উষ্ণ থাকাকে গুরুত্ব দিন। গরম পোশাক, স্কার্ফ. গ্লাভস ও টুপি শরীরকে উষ্ণ রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে পেশি ও অস্থিসন্ধিগুলো শক্ত হওয়া থেকে দূরে রাখে। শরীরের যেসব অঙ্গে বেশি ব্যথা অনুভভ হয়, সেসব স্থান উষ্ণ রাখতে গরম পোশাক ব্যবহার করুন।

হাইড্রেশন এবং পুষ্টি: শীতে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে সহজেই ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা থেকে ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে। এ সময় ভেষজ চা ও স্যুপের মতো হালকা গরম তরল পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করলে হাইড্রেটেড থাকার যায়। সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যও বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফ্যাটি মাছ, বাদাম, রঙিন ফল ও শাকসবজি ব্যথা উপশমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

 

তাপ থেরাপি: ব্যথা কমাতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে তাপ প্রয়োগ করতে পারেন। এ জন্য হালকা গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। তাপ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে, মাংসপেশির শক্তভাব কমাতে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং: নিয়ম করে হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং যুক্ত করুন। এসব অভ্যাস জয়েন্ট ও পেশি নমনী রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত হাঁটা, সাঁতার কাটা বা যোগব্যায়ামের মতো কর্মকাণ্ড শরীরে অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তবে কোন ব্যথার জন্য কোন ধরনের ব্যায়াম করবেন তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নেয়া ভালো।

পর্যাপ্ত ঘুম: সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা রোধে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। এ জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমানো প্রয়োজন এবং নির্দিষ্ট একটি সময় ঘুমাতে যাওয়াও আবশ্যক। প্রয়োজনে ঘুমের জন্য একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন। সংবেদনশীল জায়গায় ব্যথা কমানোর জন্য বালিশ বা কুশন ব্যবহারের কথাও ভাবতে পারেন।

 

 

সুত্র: চ্যানেল২৪

Print Friendly and PDF