চট্টগ্রাম, রোববার, ১৯ মে ২০২৪ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের আগেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১০:৩১ : পূর্বাহ্ণ

 

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ বিশেষ অভিযানে নামবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।

রোববার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ‘উগ্রবাদ নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালার এ আয়োজন করে। এতে শতাধিক ক্রাইম রিপোর্টার অংশ নেন।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার পুলিশের রুটিন ওয়ার্ক। পুলিশের সব ইউনিট অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে সবসময়ই তৎপর থাকে। নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দেখা দিলে তার জন্য বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করবে পুলিশ। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে উগ্রবাদীদের বিভিন্ন গ্রুপ যারা আছে, তারা সক্রিয় হয়ে উঠলে তাদের প্রতিহত করার মতো সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ নির্মূল সম্ভব নয় বরং নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। উগ্রবাদ নিয়ন্ত্রণে সিটিটিসি সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা জঙ্গিবাদ বিষয়ে এখন অনেকখানি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারি।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, অতীতে দেখা গেছে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ ঈদ, পূজা-পার্বণ, বড়দিন, বুদ্ধ পূর্ণিমা- সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে করতো। ১৯৪৭ সালে ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে দেশ ভাগ হলেও মানুষের ধর্মীয় সম্প্রীতিতে কোনো প্রভাব পড়েনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ গড়ে তোলেন। এই বাঙালি জাতীয়তাবাদের ওপর ভিত্তি করে একাত্তরে দেশ স্বাধীন হয়েছে, বাহাত্তরের সংবিধান হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সময় স্বার্থান্বেষী মহল তাদের স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করেছে। ধর্মীয় উগ্রবাদ উসকে দিয়েছে।

ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটিটিসির প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, উগ্রবাদী তৎপরতা দেশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশ। গত তিন বছরে দেশে কোনো জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনেও উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে।

 

 

সূত্র: চ্যানেল ২৪

Print Friendly and PDF