চট্টগ্রাম, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ , ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফল বিজ্ঞানীরা

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ৪:০২ : অপরাহ্ণ

 

বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা পেয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। ইতোমধ্যেই বিলুপ্তপ্রায় ১০টি প্রজাতির মাছ বদ্ধ জলাশয়ে চাষের উপযোগী করে তুলেছেন তারা। গবেষণা চলছে আরও কয়েকটি প্রজাতি নিয়ে। সফল হলে হারিয়ে যাওয়া অনেক দেশি মাছ আবার ফিরবে জলাশয়ে। তবে উপকেন্দ্রের পানিতে আয়রণের পরিমাণ বেশি থাকায় গবেষণায় বিঘœ ঘটছে বলে জানালেন বিজ্ঞানীরা।

 

 

বলা হয়, মাছে-ভাতে বাঙালি। তবে দিন দিনই কমছে দেশিয় মাছ। ব্যাপক দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে দেশি মাছের ৬৪টি প্রজাতি বিলুপ্তপ্রায়। বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ ফিরিয়ে আনতে গবেষণা চালাচ্ছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ গবেষণায় লইট্টা ট্যাংরা, বালাচাটা, গুতুম, বৈরালী, কুর্শা, নারিকেল চেলাসহ বিলুপ্ত প্রায় ১০টি জাত বদ্ধ জলাশয়ে চাষের উপযোগী করে তুলেছেন তারা। সর্বশেষ পাঁচ বছরের প্রচেষ্টায় তারা সাফল্য পেয়েছেন আঙ্গুস মাছের প্রজননেও।

 

 

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জানান, প্রথমে রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল থেকে বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পুকুরে লালন-পালন করা হচ্ছে। এরপর সিনথেটিক হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে পোনা উৎপাদন করে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে চাষি পর্যায়ে।

মৎস্য চাষিরা জানান, অঙ্গুস মাছের আশাতীত উৎপাদন হয়েছে। লাভের আশা করছেন তারা।

সৈয়দপুরের বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আজহার আলী জানালেন, ছোট মাছ ছাড়াও দেশীয় বড় মাছ নিয়ে গবেষণা চলছে। সফল হলে নদীর হারিয়ে যাওয়া এ মাছগুলো আবার ফিরে পাওয়া যাবে।

সৈয়দপুরের এ স্বাদুপানির মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রটি ২০০৬ সালে ১০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। যেখানে বর্তমানে ১৬টি পুকুর ও আধুনিক হ্যাচারি রয়েছে।

 

 

সূত্র – বৈশাখী  অনলাইন

Print Friendly and PDF