চট্টগ্রাম, রোববার, ১৯ মে ২০২৪ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ২:৫৩ : অপরাহ্ণ

 

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের প্রচেষ্টা বহুগুন বাড়াতে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই আহবান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি স্থবির হয়ে আছে। ছয় বছরে একজনও মিয়ানমারে তাদের নিজ বাড়ীতে ফিরে যেতে পারেনি। এদিকে, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য পাঁচটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া, রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

 

 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮ তম অধিবেশনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে, উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় বাংলাদেশ, কানাডা, গাম্বিয়া, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের কাছে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রস্তাবে অসহায় রোহিঙ্গাদের জীবনধারনের জন্য মানবিক প্রচেষ্টা সস্মিলিতভাবে অব্যাহত রেখে সংকট স্থায়ীভাবে সমাধানের বিষয়টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া, মিয়ানমারের জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার জন্য দায়ীদের জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অন্যান্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহবানও জানান শেখ হাসিনা।

 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট প্রত্যাবাসনের বিষয়টি একেবারে থেমে আছে। একই দিনে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ-ইউএইচসি বিষয়ক উচ্চ পর্যাযের এক বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে তিনি উন্নয়ন সহায়তা বজায় রাখা সহ পাঁচটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহবান জানান।

শুক্রবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮ তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিষয় বক্তব্যে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

সূত্র – বৈশাখী  অনলাইন

Print Friendly and PDF