চট্টগ্রাম, রোববার, ২৬ মে ২০২৪ , ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিতর্কের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ সৃষ্টি হয় : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ৯:৫০ : পূর্বাহ্ণ

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আগে টেলিভিশনে বিতর্ক অনুষ্ঠান ছিল না, কারন বিতর্কে অনেকসময় সরকারের সমালোচনা করা হয়। আমি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু করি। কারন সরকার সব সময় যুক্তিসংগত বিতর্ককে স্বাগত জানায়। বিতর্কের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রথম আন্তঃস্কুল ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে বিতর্ক চর্চার বিকল্প নেই। এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সরকার ২০০৮ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন শুরু করে যা এখন বাস্তবায়িত। তারপরও আমাদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে নিজেদের তৈরি হওয়ার আহবান জানান।

 

 

চূড়ান্ত পর্বের বিতর্ক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রথম আন্তঃস্কুল ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্বে বিতর্কের বিষয় ছিলো `Developing an export oriented business environment is better driver of our economy than relying on remittance income’. প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজকে হারিয়ে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব হবার অর্জন করে। প্রসঙ্গত, এবারে প্রতিযোগিতায় সারা দেশের ৬৪টি স্কুল বিতর্কে অংশগ্রহণ করে।

 

সভায় বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নূর আনোয়ার হোসেন রঞ্জুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম.এ মালেক,  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সুকান্ত ভট্টাচার্য্য বক্তব্য রাখেন।

 

Print Friendly and PDF