চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪ , ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মায়ামির হয়ে শিরোপা জিতে অনন্য রেকর্ড গড়লেন মেসি

প্রকাশ: ২০ আগস্ট, ২০২৩ ৩:৪২ : অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের লিগস কাপের নাম হয়তো কেউ শুনেননি, কিংবা সেখানকার মার্কিন লিগ সকারের (এমএলএস) নামও কিছুদিন আগ পর্যন্ত কেউ জানতেনই না। তবে এই মুহূর্তে প্রেক্ষাপট বদলে গেছে মুহূর্তেই। বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিওনেল মেসি সেখানকার ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেয়ার পরই সব পাল্টে গেছে। সেই সঙ্গে মার্কিন ফুটবলের পালে লেগেছে নতুন হাওয়া।

আর সেখানেই নিজের পায়ের কারিশমায় বুঁদ করে রেখেছেন যুক্তরাষ্ট্রবাসীকে। তার পায়ের জাদুতে মায়মি তুলে নিয়েছে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা। সেই সঙ্গে মেসিও তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ৪৪তম শিরোপা।

রোববার (২০ আগস্ট) প্রতিপক্ষের মাঠ জিওডিস পার্কে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায়। নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ গোলে সমতা থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টিতে ১০-৯ গোলে ন্যাশভিলকে পরাজিত করে প্রথম শিরোপা ঘরে তোলে মায়ামি। নির্ধারিত সময়ে মায়ামির হয়ে মেসি ও ন্যাশভিলের হয়ে ফাফা পিকাউল্ট গোল করেন। এরপর ২২ পেনাল্টির রোমাঞ্চকর শুট আউটে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতে মেসির ইন্টার মায়ামি। এটিই যুক্তরাষ্ট্রে মেসি ও তার দলের প্রথম শিরোপা।

যে দল টানা ১১ ম্যাচ ছিল জয়বিহীন, সেই মায়ামিই মেসি আসার পর লিগস কাপের শিরোপা জিতে গেল। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নেমে মেসি গোল করলেন টুর্নামেন্টের প্রতি ম্যাচেই। আসর শেষ করলেন তিনি ৭ ম্যাচে ১০ গোল করে। এতে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার তিনি। আসরের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারও ওঠে তার হাতেই।

 

সেই সঙ্গে এদিন ব্যক্তিগতভাবে আরও অনন্য রেকর্ড গড়েছেন এলএমটেন। লিগস কাপ জিতে সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ের রেকর্ডে ছাড়িয়ে গেছেন সাবেক সতীর্থ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার দানি আলভেসকে। এটি তার পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৪৪তম শিরোপা। ব্রাজিলিয়ান তারকা আলভেস তার ক্যারিয়ারে জিতেছেন ৪৩টি শিরোপা।

কাতারে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পর আলভেস ও মেসি ৪৩ শিরোপা নিয়ে ছিলেন একই কাতারে। আজ তাকে ছাড়িয়ে গেলেন মেসি। ক্যারিয়ার শেষে যখন মেসি বুট জোড়া তুলে রাখার ঘোষণা দেবেন তখন এই শিরোপা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তাই এখন দেখার বিষয়।

 

মেসির ৪৪ শিরোপা

  • বার্সেলোনার হয়ে ৩৫টি (লা লিগা ১০, কোপা দেল রে ৭, সুপারকোপা ৮, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ৪, উয়েফা সুপার কাপ ৩, ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ৩)।
  • পিএসজির হয়ে ৩টি (লিগ ওয়ান ২, ট্রফি দে চ্যাম্পিয়ন্স ১) ও ইন্টার মায়ামির হয়ে ১টি (লিগস কাপ ১)।
  • আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ৫টি (ফিফা বিশ্বকাপ ১, কোপা আমেরিকা ১, লা ফিনালিসিমা ১, অলিম্পিক ১, যুব বিশ্বকাপ ১)।

Print Friendly and PDF