চট্টগ্রাম, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪ , ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আখাউড়া-লাকসাম রেলপথে দুইলেনের উদ্বোধন আজ

প্রকাশ: ২০ জুলাই, ২০২৩ ১০:০১ : পূর্বাহ্ণ

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের ৭২ কিলোমিটার অংশ দুই লেনে উন্নিত করার কাজ শেষে হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের সম্পূর্ণ অংশ দুই লেন করা হলো।

আজ বৃহস্পতিবার (২০শে জুলাই) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আখাউড়া-লাকসাম রেলপথের দুই লেন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।

 

 

আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার অংশে আগে একটি রেললাইন ছিল। এখন তা দুই লেন করা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আন্তনগর ট্রেনের যাতায়াত সময় পৌনে এক ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা কমবে। এ লাইনে এক সময় শুধু মিটারগেজ ট্রেন চলতে পারত। তবে দুই লেন চালু হওয়ার পর থেকে সেখানে মিটারগেজের পাশাপাশি ব্রডগেজ ট্রেনও চলতে পারবে।

 

 

‘আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ এবং বিদ্যমান রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রূপান্তর’ প্রকল্পে খরচ হয়েছে ৫ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লেগেছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় প্রকল্পের মেয়াদ দু’দফা বাড়ানো হয়েছিল।

করোনা মহামারি এবং প্রকল্প এলাকার কসবা ও সালদা নদী অংশে প্রতিবেশী দেশের (ভারত) আপত্তিতে নির্মাণকাজ যথাসময়ে শেষ করা যায়নি বলে দাবি করেন রেলওয়ের প্রকৌশলীরা। এই প্রকল্পে সাতজন প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন করা হয়েছিল।

 

 

রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। ২০১৬ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। ২০২০ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ওই সময় কাজ শেষ হয়নি। এরপর ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু প্রকল্পের বেশির ভাগ কাজ সম্পন্ন হলেও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর আপত্তির মুখে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কসবা রেলস্টেশন, স্টেশনের ডাবল লাইন ও সালদা রেলসেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখার ১৫০ গজের ভেতর কাজ হচ্ছে, এমন অজুহাতে বিএসএফ বাধা দিয়েছিল। আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের মার্চে আবার কাজ শুরু হয়।

 

 

সূত্র – বৈশাখী  অনলাইন

Print Friendly and PDF