চট্টগ্রাম, রোববার, ৪ জুন ২০২৩ , ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এবার পেঁয়াজের দাম কমালো চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরাও

প্রকাশ: ২২ মে, ২০২৩ ১২:২৪ : অপরাহ্ণ

বাণিজ্যমন্ত্রী আমদানির ঘোষণা দেয়ায় পেঁয়াজের দরপতন শুরু হয়। উত্তরের জেলা পাবনা, দিনাজপুরের হিলির পর এবার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে কমেছে পেঁয়াজের দাম।

কৃষকদের সুরক্ষা দিতে গত ১৫ মার্চ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া বন্ধ রয়েছে। এ মাসের শুরুতে বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে খাতুনগঞ্জ পাইকারি মোকামে পেঁয়াজের দর ওঠে প্রতি কেজি ৭৫ টাকা। তখন খুচরায় প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৮০ টাকা।

এমন পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সম্প্রতি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি লিখেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ও এক সপ্তাহ আগে জানায়, দাম কমাতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হতে পারে। এ খবর চাউর হতেই বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমতে শুরু করে।

 

 

রোববার (২১ মে) খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হয়। সেই হিসাবে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা কমেছে পাইকারি বাজারে।

পেঁয়াজের আমদানির খবরে উত্তরের জেলা পাবনায় প্রতি মণ পেঁয়াজের দাম কমেছে ৫০০ টাকা। শুক্রবার (১৯ মে) প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৯০০ টাকা দরে। পরদিন শনিবার (২০ মে) সেই পেঁয়াজ প্রতি মণ বিক্রি হয় দুই হাজার ৪০০ টাকা দরে।

 

 

এদিকে দিনাজপুরের হিলিতে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। দুই দিন পূর্বে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে পেঁয়াজের দামের এমন উঠানামাকে ব্যবসায়ীদের কারসাজি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

রোববার (২১ মে) দুপুরে সরেজমিন হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের প্রায় প্রতিটি দোকানেই দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ লক্ষ্য করা গেছে। তারপরেও সরবরাহ কমের অজুহাতে প্রতিদিন দাম উঠা নামা করছে।

 

 

সূত্র – চ্যানেল২৪

Print Friendly and PDF