চট্টগ্রাম, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাঁশ দিয়ে কুমার নদের ভাঙন রোধের চেষ্টা

প্রকাশ: ৯ মে, ২০২৩ ১১:০৫ : পূর্বাহ্ণ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড নীলাম্বর্দী গ্রামে কুমার নদের ভাঙনের ভয়ে বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই স্বেচ্ছাশ্রম বেসম্বর্দী যুব উন্নয়ন সমিতি ও স্থানীয় বিত্তশালীর উদ্যোগে গত এক সপ্তাহ ধরে বাঁশ দিয়ে নদী ভাঙনের প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

 

এলাকাবাসীর দাবি বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই সরকারি প্রচেষ্টায় জিও ব্যাগ না ফেললে প্রায় ৪০টি বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় ১ হাজার মিটার বাঁশ দিয়ে বাঁধ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যায়।

বেসম্বর্দী যুব উন্নয়ন সমিতি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাওলাদার জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান ও মাননীয় সংসদ সদস্য শাজাহান খান নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন এবং তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

 

 

এলাকাবাসী জানায়, বন্যা আসতে এখনো দুই তিন মাস বাকি কিন্তু এখন থেকেই অল্প অল্প পানি বাড়ছে তাই সরকারি সহযোগিতার অপেক্ষায় থাকলে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের স্বেচ্ছাশ্রম বেসম্বর্দী যুব উন্নয়ন সমিতি ও এলাকার বিত্তবানদের সাহায্যে ১ হাজার মিটার বাঁশ দিয়ে বাদ দেয়ার পরিকল্পনা করছে। এরই মধ্যেই প্রায় ৫০০ মিটার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন সরকারি সহযোগিতা পেলে ভাঙনের কবল থেকে বেঁচে যাবে বেশ কিছু অসহায় পরিবার।

 

 

বেসম্বর্দী যুব উন্নয়ন সমিতির ক্যাশিয়ার হালিম হাওলাদার (সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার) জানান, আমাদের জমি ও ৪০টি বাড়িঘর ইতোমধ্যে নদীর ভাঙনে বিলীন হয়েছে। এখন ৪০টি বাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে তাই বর্ষা শুরুর আগেই আমরা বাঁশ দিয়ে বাদ দেয়ার চেষ্টা করছি।

 

 

যুবনেতা হেমায়েত হোসেন হিমু জানান, যুব উন্নয়ন সংগঠন ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ভাঙন রোধ করার জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী আজিজুল মজুমদার জানান, স্থানীয় লোকজন ও সরকারিভাবে নদী শাসনের বাদ না দিলে যেকোনো সময় ভেঙে বেশ কয়েকটি পরিবার কে জায়গা-জমি গৃহহীন হয়ে সর্বস্বান্ত হতে হবে। তাই বর্ষার পূর্ব মুহূর্তে পানি না বাড়ার আগে, বাধের ব্যবস্থা করলে বেঁচে যাবে বেশ কয়েকটি পরিবার।

উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে এসেছি এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেছি, এখন শুধু বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছি।

 

 

সূত্র – চ্যানেল২৪

Print Friendly and PDF