চট্টগ্রাম, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪ , ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই মেসিকে চুক্তি নবায়নের প্রস্তাব পিএসজির!

প্রকাশ: ৯ মে, ২০২৩ ২:৩৩ : অপরাহ্ণ

অনুমতি ছাড়া সৌদি আরবে যাওয়ায় দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় বিশ্বকাপ ও রেকর্ড সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে। সেই সঙ্গে ক্লাব থেকে জানানো হয় চুক্তি নবায়ন করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এরপর গণমাধ্যমে গুঞ্জন শোনা যায় মেসিও নাকি নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই প্যারিস ছাড়ার চিন্তা করেছেন।

 

 

কিন্তু যতবারই পিএসজির সঙ্গে বিশ্বকাপজয়ীর বিচ্ছেদ চূড়ান্ত ভাবা হচ্ছে ঠিক তখনই নতুন নতুন খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই যেমন টাইমসের বরাত দিয়ে জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট গোলডটকম জানাচ্ছে, নিষেধাজ্ঞায় থাকা মেসিকে নাকি চুক্তি নবায়নের জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে অফার দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, অধরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন পূরণে মেসিকে নিয়েই পরিকল্পনা করছে প্যারিস জায়ান্টসরা।

 

 

এদিকে নিষেধাজ্ঞার এক সপ্তাহ না যেতেই সোমবার (৮ মে) অনুশীলনে ফিরেছেন মেসি। তবে কি ফরাসি ক্লাব এলএমথার্টির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে? ধারণা করা হচ্ছে সৌদি থেকে ফিরে ক্ষমা চেয়ে করা মেসির ভিডিও বার্তার পরই সুর পাল্টেছে পিএসজি।

 

 

উল্লেখ্য, অনুমতি ছাড়া সৌদিতে যাওয়ায় গত ৩ মে মেসিকে দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এরপর পিএসজি আল্ট্রাসের সমর্থকরা মেসির বাড়ির সামনে গিয়ে তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। যদিও পরবর্তীতে সেই ঘটনায় নিন্দা জানায় পিএসজি।

 

 

ওই সময় ফরাসি গণমাধ্যম জানিয়েছিল, মেসির অনুমোদনহীন সৌদি যাত্রাকে মারাত্মক ভুল হিসেবে দেখছে পিএসজি। আর তাই আগামী দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এর ফলে লিগ ওয়ানের অন্তত দুইটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না মেসি। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বলবৎ থাকলে আগামী ২১ মের আগে ক্লাবটির হয়ে মাঠা নামা হচ্ছে না তার।

 

 

সৌদি থেকে ফিরে এক ভিডিওবার্তায় নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি সেখানে বলেন, আমি মনে করেছিলাম, প্রতিটি ম্যাচ পরবর্তী সময়ের মতো আমরা ছুটিতে যাচ্ছি। আগে থেকেই আমার সফরটি (সৌদি আরব) নির্ধারিত ছিল এবং আমি তাৎক্ষণিক সেটি বাতিল করতে পারিনি। যদিও এর আগে ছুটি না থাকায় এরকম সফর বাতিল করেছিলাম। সতীর্থদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থনা করছি এবং ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমাকে যে শাস্তি দেয়, তা মেনে নেব।

 

Print Friendly and PDF