চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাঁচা কাঁঠালের উপকারিতা কী

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল, ২০২৩ ৩:৩৭ : অপরাহ্ণ

পাকা কাঁঠাল পুষ্টিগুণ সম্পর্কে প্রায় সবার-ই জানা, কিন্তু কাঁচা কাঁঠালও ভীষণ পুষ্টিকর ও উপকারী। কাঁচা কাঁঠালে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ, যার অন্য নাম ডায়াটারি ফাইবার। আঁশজাতীয় খাবার দীর্ঘ সময় পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো প্রায় প্রাত্যহিক রোগ দূর করে। কাঁঠালের আঁশ কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

কাঁচা-পাকা দুই ধরনের কাঁঠালে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। তবে অন্যান্য ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত অনেক ফলের চেয়ে কাঁচা কাঁঠালে ভিটামিন ‘সি’ তুলনামূলক বেশি থাকে। ভিটামিন ‘সি’ আমাদের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে  দ্বিগুণ শক্তিশালী করে। তারুণ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ত্বক, নখ, চুল, দাঁতের পুষ্টি জোগায়। চর্মরোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

কাঁঠালের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যার দরুণ হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করা যায়। ত্বকের পুষ্টির জন্য কোলাজেন নামের একধরনের প্রোটিন বা আমিষের দরকার। কাঁঠালের ভিটামিন ‘সি’ কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

পাকা কাঁঠালে চিনির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। পাকা-মিষ্টি কাঁঠাল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যেও ক্ষতিকর। কিন্তু কাঁচা কাঁঠাল রান্না করে খাওয়া যায়, যা রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না।

 

 

কাঁচা কাঁঠালের আঁশজাতীয় উপাদান টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখে। দাঁত, হাড়, চুল, নখের দৃঢ়তার জন্য আয়োডিন, খনিজ লবণ ভীষণ জরুরি। কাঁচা কাঁঠালে রয়েছে উচ্চমাত্রার খনিজ লবণ। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে খনিজ লবণ খুবই দরকারি।

কাঁঠালের বিচিও ভীষণ পুষ্টিকর। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘বি১২’, ‘আয়রন’, ‘আমিষ’, ‘খনিজ লবণ’। আমাদের শরীরে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের নার্ভ বা স্নায়ুর পুষ্টির জন্য ভিটামিন ‘বি১২’ অত্যন্ত জরুরি।

কাঁচা কাঁঠালে উচ্চমাত্রায় ফোলেট আয়রনও রয়েছে, যা রক্ত তৈরি করে। গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধির জন্য ফোলেট আয়রন ভীষণ দরকারি। বাড়ন্ত শিশুদের জন্যও কাঁচা কাঁঠাল ভীষণ উপকারী।

 

 

সূত্র – চ্যানেল২৪

Print Friendly and PDF