চট্টগ্রাম, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ , ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ মার্চ, ২০২৩ ১১:৩২ : পূর্বাহ্ণ

২০৪১ সালে মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুম হলে বাংলাদেশ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এডিবি আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। ৫০ বছর ধরে এডিবি আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। ১৯৭৩ সালের জাতির পিতার নেতৃত্বে এডিবির সঙ্গে আমাদের সর্ম্পক প্রতিষ্ঠা হয়। গত ৫০ বছরে আমাদের যে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, কাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক; প্রতিটি ক্ষেত্রে এডিবির বিশেষ সহযোগিতা রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সবচেয়ে গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হলো- এই সংকটময় সন্ধিক্ষণে আমরা হতাশ হয়ে লক্ষ্য করছি যে, অনেক অংশীদার সুদের হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। যা বেশিরভাগ প্রকল্পের জন্য উন্নয়ন অর্থায়নকে অর্থনৈতিকভাবে অকার্যকর করে তুলছে। অর্থাৎ একাধিক অনৈতিক ঘাতটির প্রভাব মোকাবেলায় আমাদের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

সরকারপ্রধান বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসা পর্যন্ত সহজ শর্তে অর্থায়ন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও উন্নত দেশগুলোকে এ বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। আমরা কারো কাছে কোনো করুণা চাই না, দয়া ভিক্ষা চাই না, আমরা ন্যায্য অধিকার চাই।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নিজেদের ভূখণ্ডের নিরাপত্তার স্বার্থে গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের কয়েকটি শহরে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আক্রমণ। অবশ্য শক্তিতে ছোট হলেও ছেড়ে কথা বলেনি ইউক্রেন। প্রথম দিন থেকেই পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে দেশটি। দুই দেশের মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের পর বেলারুশের মধ্যস্থতায় মস্কো ও কিয়েভ একাধিকবার শান্তি আলোচনায় বসলেও কাজ হয়নি।

অনুষ্ঠানে গত ১৪ বছরে আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে সরকারের গৃহীত নানা উন্নয়ন কাজের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এরইমধ্যে বৃহত্তম প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা দেখিয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে আমরা পদ্মাসেতু নির্মাণ করতে পেরেছি। মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রকল্প আমরা করে যাচ্ছি। পদ্মাসেতু নির্মাণ ছিল আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরব, মর্যাদা ও যোগ্যতার প্রতীক।

Print Friendly and PDF