চট্টগ্রাম, রোববার, ২৬ মে ২০২৪ , ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আজ পাতালরেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:৫২ : পূর্বাহ্ণ

মেট্রোরেলের পর এবার পাতালরেল দেখবে দেশ। আজ এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে একই স্থানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপগঞ্জের জনতা উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন রাজউকের কমার্শিয়াল প্লট মাঠে বাংলাদেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

গত মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর রমনায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।

বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এই পাতাল মেট্রোরেল পথ নির্মিত হবে। এটিই মেট্রোরেলের প্রথম পাতাল যাত্রা।

এমআরটি ওয়ানের মূল কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জ গ্রামে চলছে ভূমি প্রস্তুত প্রক্রিয়া। এখানে ৯৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে ডিপো তৈরির জন্য। সরকার প্রধানের আগমন উপলক্ষ্যে সাজসাজ রব রূপগঞ্জের মাটিতে।

সাড়ে ৫২ হাজার কোটি টাকা এই প্রকল্পের প্রায় ৩৯ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা আসবে জাইকার সহায়তা থেকে। ২০২৬ সালে পাতালরেলের কাজ শেষ করতে চায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা।

প্রকল্প সূত্র জানায়, দ্বিতীয় মেট্রোরেল হবে উড়াল ও পাতাল পথের সমন্বয়ে। দুটি রুটে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ হবে। এর মধ্যে উত্তরা ও বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত- এই রুটে মাটির নিচ দিয়ে চলবে মেট্রোরেল। এটি ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ।

এই রুটে স্টেশন হবে মোট ১২টি। এগুলো হলো- বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩, খিলক্ষেত, যমুনা ফিউচার পার্ক, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, রাজারবাগ ও কমলাপুর।

আর পূর্বাচল রুটে নতুন বাজার স্টেশনটি হবে পাতালে। এরপর নতুন বাজার থেকে পূর্বাচলের নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জ পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়ালপথে। এ রুটে আবার স্টেশন হবে নয়টি।

এগুলো হলো- নতুন বাজার, যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা, পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি, মাস্তুল, পূর্বাচল পশ্চিম, পূর্বাচল সেন্টার, পূর্বাচল পূর্ব, পূর্বাচল টার্মিনাল ও পিতলগঞ্জ ডিপো।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এটি নির্মাণ হলে ২০২৬ সাল থেকে দৈনিক আট লাখ যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

Print Friendly and PDF