চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মেট্রোরেলে চড়তে স্টেশনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ ১১:০৩ : পূর্বাহ্ণ

রাজধানীতে মানুষের যাতায়াত সহজ করতে বহুল প্রতীক্ষিত ও দেশের প্রথম মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের একদিন পরই (২৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই আগারগাঁও স্টেশনে টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

স্টেশনের অপেক্ষমাণ যাত্রীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানান, মেট্রোরেল বাংলাদেশের মেগা প্রজেক্টের একটি। জীবনে প্রথম মেট্রোরেলে উঠতে যাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় আগারগাঁও ও উত্তরা উভয় স্টেশন থেকে সাধারণ যাত্রী নিয়ে প্রথম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেট্রোরেল ছাড়ে। বুধবার মেট্রোরেলের উদ্বোধনী যাত্রায় যাত্রী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছোট বোন শেখ রেহানা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার ২৮৫ জন মানুষ।

ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাধারণ মানুষ টিকিট কেটে মেট্রোরেলে উঠতে পারছেন।

জানা গেছে, মেট্রোরেল চলবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, দিনে ৪ ঘণ্টা। সর্বোচ্চ ২০০ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রোরেল। পরে চলাচল ও যাত্রী বাড়ানো হবে। আপাতত প্রতি মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল।

মেট্রোরেলে কী করা যাবে, আর কী কী করা যাবে না, এ বিষয়ে একটি পুস্তিকা তৈরি করা হয়েছে। নিয়মগুলো মেনে চলার জন্য সাধারণ যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক।

রাজধানীর নাগরিকদের স্বস্তি দিতে মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয় ২০০৫ সালে। মূল কাজ শুরু হয় ২০১৬। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২১.২৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মেট্রোরেলটির ১১.৭৩ কিলোমিটারের যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে মাত্র ১০ মিনিট ১০ সেকেন্ডে উত্তরা থেকে আগারগাঁও চলে আসবে মানুষ।

দেশের মেট্রোরেলটি পিলারের মাধ্যমে মাটির ওপরে নির্মাণ করা হয়েছে-যাকে বলা হয় ওভারগ্রাউন্ড এলিভ্যাটেড এক্সপ্রেস। এছাড়া বিশ্বের অনেক শহরে মাটির নিচ দিয়েও মেট্রোরেল চলাচল করে, যা আন্ডারগ্রাউন্ড, সাবওয়ে বা টিউব নামে পরিচিত।

Print Friendly and PDF