চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মাঠের বদলে রাস্তায় বিএনপির সমাবেশ করতে চাওয়ার কারণ জানালেন তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ১২:৪৮ : অপরাহ্ণ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সমাবেশের জন্য মাঠের বিকল্প মাঠ হতে পারে, রাস্তা নয়। কিন্তু বিএনপি সবসময় ব্যস্ত রাস্তার কথা বলছে। এটি দূরভিসন্ধিমূলক।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির গণ-গ্রেপ্তারের অভিযোগ খণ্ডন করে ড. হাছান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। এমনকি যারা আগুনসন্ত্রাসের জন্য অর্থ, হুকুম দিয়েছিল তাদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তবে জনগণ মনে করেন, ওদেরও তা করা দরকার।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশস্থল নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনসভা তো হয় ময়দানে, ব্যস্ত রাস্তায় নয়। গাড়ি-ঘোড়া বন্ধ করে, মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে জনসভা করা কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাজ নয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবসময় বড় জনসভা যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হয়েছে, সেটি তাদের পছন্দ নয়। তাদের শুধু রাস্তা পছন্দ। কারণ, সেখানে গাড়ি-ঘোড়া ভাঙচুর করা যাবে। ২০১৩-১৪-১৫ সালের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া যাবে।

ড. হাছান বলেন, আওয়ামী লীগের জনসভায় ভোগান্তি হলেই পত্রিকা লেখে, সমাবেশে মানুষ হয়েছে; তবে দুর্ভোগ বেশি। জনসভা অবশ্যই ময়দানে হয়। গতকাল যেমন আমরা চট্টগ্রামে জনসভা করেছি। লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হয়েছে। ৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা পুরোটা ছিল মানুষে সয়লাব। বিএনপির সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প হতে পারে পূর্বাচল বাণিজ্য মেলা বা টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা কিংবা বুড়িগঙ্গার তীরের মাঠ।

বিএনপির নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, সরকার ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিজয় দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, ইংরেজি নববর্ষ -এগুলো নিয়ে প্রতি বছরই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এগুলো নতুন কিছু নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও নয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে রাজনীতির নামে যারা ২০১৩-১৪-১৫ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছিল, মানুষ হত্যার মহোৎসব করেছিল। তারা তো বিএনপির নেতাকর্মী। তাদের কাউকে যদি গ্রেপ্তার করা হয়, সেটি আইনগত বিষয়।

Print Friendly and PDF