চট্টগ্রাম, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২ , ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বিষাক্ত বাতাস, বিষাক্ত পরিবেশ বলে ফেসবুকে সোহেল তাজের ক্ষোভ

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর, ২০২২ ১১:০২ : পূর্বাহ্ণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব থাকেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। প্রাইয় সময়ই দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে থাকেন। এবার তিনি তুলে ধরেছেন ঢাকার পরিবেশ নিয়ে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পরিবেশ মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের মেয়রদের কাজ কী, সে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সোহেল তাজ গাড়ির কালো ধোঁয়া নিয়ে সোমবার বিকেলে ও রাতে দুই দফায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক ওয়ালে ওই পোস্ট দেন। ‘ফিটনেসবিহীন’ একটি গাড়ির পৃথক ভিডিও ও ছবি দিয়ে একই কথা দুটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি।

‘বিষাক্ত বাতাস, বিষাক্ত পরিবেশ’ শিরোনামে ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘এই বিষাক্ত বাতাসে প্রতিদিন হাজার হাজার/লাখ লাখ মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে অথচ কারও কোনো মাথা ব্যথা নাই-কোথায় বিআরটিএ? কোথায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়? কোথায় আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ? সিটি করপোরেশনের মেয়রবৃন্দরা কোথায়? তাদের কাজটা আসলে কী?’

সোহেল তাজের ওই দুই পোস্টে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

ইয়ামিন নামের একজন লিখেছেন, ‘ঢাকা শহরে যে যানবাহন চলে তার অধিকাংশই ফিটনেসবিহীন। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট খুবই দুর্বল। অধিকাংশ রোডের ফুটপাত দখল থাকে। বনায়ন কর্মসূচি তেমন ভাবে পরিলক্ষিত হয় না। অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কিন্তু এসব দেখার জন্য যেসব মন্ত্রণালয় রয়েছে তাদের কাজ অনেকটাই দায়সারা।এর প্রতিকার কোথায়??

সাকিব রেজা নামের একজন লিখেছেন, ‘কিছুই বলার নাই। সকালেই আমার এই বাসে করে অফিসে যেতে হবে।’ এম হেলাল ইসলাম নামের একজন লিখেন, ‘এ বাস কি ঢাকায় চলে? এর থেকে তো অনেক ভালো বাস আমাদের এলাকায় চলে!’ সাঈয়েদ মো. মোফাস্সাল ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘ফিটনেস অব বাংলাদেশ’।

আরমান চৌধুরী নামের একজন মন্তব্য করে লিখেছেন, প্রতিদিন অফিসে যাওয়া আসার সময় শুধু একটা প্রশ্নই মাথায় আসে যে, এগুলা দেখার কি কেউ নেই। কালো ধোয়া নির্গত নিয়ে যে আইন করা হয়েছিল, তার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে কে বা কারা। আমাদের ইলেকট্রনিক বা প্রিন্ট মিডিয়া কেউই এ ব্যাপারে কিছু বলে না। আপনি যেহেতু পোস্ট দিয়েছেন, তাতে যদি কেউ দেখে কোনো পদক্ষেপ নেয়। এই আশা রইল।

Print Friendly and PDF