চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২ , ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে: সিইসি

প্রকাশ: ১৩ জুন, ২০২২ ৬:১২ : অপরাহ্ণ

নির্বাচনে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আইনে কী ক্ষমতা তা জানা আছে আমাদের। আমরা কিন্তু সেই সহায়তা নিতে পারব। এ জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। আর সহিংসতার কারণে নির্বাচন বিঘ্নিত হলে যেকোনো কেন্দ্রের ভোট বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে আমাদের।

সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন সিইসি। এদিন সিইসির সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

সিইসি এ সময় আরও বলেন, নির্বাচনে সহিংসতা রোধে আমরা আরও সতর্ক থাকব। পরিবেশ যেন বিরূপ না হয়, ভোটাররা যেন কেন্দ্রে যেতে পারে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোট প্রদান করতে পারে— এসব আমরা নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা করব। কোথাও বড় ধরনের কোনো সহিংসতা হলে নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বরতরা ভোট স্থগিত বা আসন বাতিল করে দিতে পারবেন।

এর আগে সিইসি বিরোধীদলের অংশগ্রহণ ছাড়া স্বচ্ছ নির্বাচনও গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ সময় কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একটা কথা বারবার বলেছি, নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হওয়া প্রয়োজন। যেভাবেই হোক, যদি প্রধান বিরোধীদল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে নির্বাচন স্বচ্ছ বা অস্বচ্ছ যাইহোক, তার গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা কিন্তু অনেক কমে যাবে। কেননা, গণতন্ত্রের মূল কথাই হচ্ছে পজিশন এবং অপজিশন। নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হোক, এটাই চাই আমরা।

নির্বাচনী বিধি মোতাবেক নির্বাচনকালীন সরকার ইসিকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে বাধ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ধরন অনেক পরিবর্তন হবে। সেই সময় কেবল পলিসি নিয়ে কাজ করবে সরকার। বিশ্বের সব দেশেই এমনটা রয়েছে।

সিইসি বলেন, নির্বাচনী কাজে আমাদের সহায়তা দেবে সরকার। আইন অনুযায়ী এটা সরকার দিতে বাধ্য। আমরা সব নির্বাচনে সরকারের সহায়তা চাইব। সরকারও আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করি।

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের থেকে মূলত তিনটি মন্ত্রণালয়ের সহায়তার প্রয়োজন আমাদের। অন্য কোনো মন্ত্রণালয় নিয়ে কোনো মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, পুলিশ প্রশাসন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে থাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারের এই তিন মন্ত্রণালয় নির্বাচনের সময় ইসিকে সহায়তা করবে।

Print Friendly and PDF