চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২ , ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বৈশ্বিক সংকট মোকবিলায় জিসিআরজি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

প্রকাশ: ২১ মে, ২০২২ ১০:৫৯ : পূর্বাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নাজুক বিশ্ব অর্থনীতিকে গুরুতর চাপে ফেলেছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এর প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানিসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। সংকট থেকে উত্তরণে তাই সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি। এ সময় তিনি এ সংকট উত্তোরণে চার দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।

শুক্রবার (২০ মে) গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ (জিসিআরজি) এর প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

প্রথম প্রস্তাবে তিনি বলেন, প্রথমত, আমাদের অবশ্যই বিশ্বব্যাপী সংহতি জোরদার করতে হবে এবং একটি সু-সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। জি-৭, জি-২০, ওইসিডি, এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, মহামারি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় নি। এর ধকল কাটিয়ে ওঠা শুরু হয়েছে মাত্র। এর মধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়া যে যুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে তা বিশ্ব-রাজনীতি তো বটেই অর্থনীতির মূলে টান দিয়েছে। স্মরণকালের মূলস্ফীতিতে বিপর্যস্ত বিশ্বে, জনগণের খাদ্য- জ্বালানীসহ মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্বল্পন্নোত দেশগুলোকে।

এ বিষয়ে তিনি উন্নত দেশসমূহ ও বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুল্কমুক্ত-কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং আরও সহজলভ্য অর্থায়নের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও কোভিড ১৯ মহামারিতে চলমান বৈশ্বিক সংকট কাটাতে গঠিত হয় জিসিআরজি প্ল্যাটফর্মটি। এর বৈঠকে ৪৮ সদস্যের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলাবায়ুর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর খাদ্যব্যবস্থা গুরুতর চাপের মধ্যে আছে। এছাড়া কোভিড মহামারিতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপের এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ডেনমার্ক, জার্মানী, ইন্দোনেশিয়া, সেনেগাল, বার্বাডোজের সরকারপ্রধানরাও অংশ নেন।

Print Friendly and PDF