সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলের বড় চালান

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগের মধ্যে স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে দফায় দফায় আমদানিকৃত প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ টন পরিশোধিত ডিজেল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দুটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

বন্দর ও বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনের ব্যবধানে দুটি বড় জাহাজে করে প্রায় ৫৪ হাজার টন ডিজেল দেশে এসেছে। গত ১০ মার্চ ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বহির্নোঙরে পৌঁছায় ট্যাংকার ‘লিয়ান হুয়ান হু’। ওই দিন সন্ধ্যা থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে ৯ মার্চ ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে নোঙর করে অপর জাহাজ ‘শিউ চি’।

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির পাইপলাইনে থাকা পরবর্তী জাহাজগুলোর সময়সূচিও (শিডিউল) চূড়ান্ত করেছে বিপিসি। সূচি অনুযায়ী, আজ ১২ মার্চ ‘এসপিটি থেমিস’ নামক জাহাজে ৩০ হাজার ৪৮৪ টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ১৩ মার্চ ‘র‍্যাফেলস সামুরাই’ ও ১৫ মার্চ ‘চাং হাং হং তু’ জাহাজে করে আরও প্রায় ৬০ হাজার টন তেল দেশে পৌঁছাবে।

বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান ব্যবহারের গতিতে এই ১.৪৪ লাখ টন ডিজেল দিয়ে ১২ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে সরকার বর্তমানে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে। দৈনিক সরবরাহ কমিয়ে ৯ হাজার টনে নামিয়ে আনায় এই নতুন মজুদে ১৬ দিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর বাইরে বর্তমান মজুদ দিয়ে আরও ১৭ দিন চলা সম্ভব। ফলে সব মিলিয়ে আগামী অন্তত এক মাসের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জাহাজ আসার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় বাজারে সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

ক্যাটাগরি