বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয়

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় বিতর্ক, আইনি ব্যাখ্যা দিলেন শিশির মনির

শিশির মনির। স্ট্যাটাসে তিনি সংষ্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপি শপথ না নেওয়ার বিষয়ে আইনি অবস্থান স্পষ্ট করতে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা তুলে ধরেন।

তিনি লিখেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ সাহেবের বক্তব্য শুনলাম। ঐক্যমত্য কমিশনেও অনেক বক্তব্য শুনেছি। তিনি আমার আইন বিভাগের বড় ভাই। সেজন্য মিটিংয়ের বাহিরেও অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজকে আমার ভাই ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেলেন। দেখুন এই বিষয়ে আইন কি বলে?’

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কারবাস্তবায়ন আদেশ২০২৫’ আইনের ৯ নম্বর ধারার ‘শপথ এবং শপথ পাঠ পরিচালনা’ সংক্রান্ত ওই আইনে বলা হয়, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংসদসদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণের পর একই শপথ অনুষ্ঠানে এই আদেশের তফসিল২ অনুযায়ী পরিষদসদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে “শপথ” বলিয়া অভিহিতকরিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষনাপত্রে স্বাক্ষর দান করিবেন।’ ২ নং অংশে বলা হয়, ‘সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদসদস্যদের ক্ষেত্রে যিনি শপথপাঠ পরিচালনা করিবেন তিনিই এই আদেশের তফসিল২ এ বিধৃত ফরমে পরিষদসদস্যদের শপথপাঠ পরিচালনা করিবেন।

যদিও বিএনপি থেকে নির্বাচিত কক্সবাজার১ আসনের এমপি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ফরম থাকলেও আমরা (বিএনপিকেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। এছাড়া সংবিধানে এটা এখনও ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ নেওয়াবেনসেটা বিধান করতে হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিধান সংবিধানে নেই। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছিসামনের দিনেও চলব।

ক্যাটাগরি