শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনোদন

এআই নিয়ে ভয়-উদ্বেগ কৃতির

অনলাইনে দেখা কোনো ছবি আসল, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি—তা বোঝা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এতে ব্যক্তিগত অধিকার ও ছবি অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি স্যানন। তার মতে, প্রযুক্তি যত দ্রুত এগোচ্ছে, সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনও বদলানো জরুরি।

সম্প্রতি এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ অংশ নিয়ে ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ বিষয়ে কথা বলেন কৃতি। সেখানে এআই নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এআই আমাকে ভয় দেখায়। আমার মনে হয়, অনেকেই এতে ভয় পান। তবে আমি মনে করি, এটি একটি হাতিয়ার, গন্তব্য নয়। বিষয়টি হলো, এটি খুব ধারালো হাতিয়ারের মতো। আর হাতিয়ার যত ধারালো হয়, সেটি তত বিপজ্জনক হতে পারে।’

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নতুন উদ্ভাবনের পক্ষে থাকলেও কৃতি মনে করেন, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনও যুগোপযোগী করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনের পক্ষে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সঙ্গে আইনকেও এগিয়ে যেতে হবে। এআই দিয়ে আসলে কী কী করা সম্ভব, তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত, তা জানি না। ব্যক্তিগত অধিকারের ক্ষেত্রে বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভীতিকর। অনলাইনে যা দেখা যায়, তা সত্যিই ভয় পাওয়ার মতো।’

এআই দিয়ে তৈরি ছবি আর আসল ছবির মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ‘আসল ছবি দেখতে যেমন, এআই দিয়ে তৈরি ছবিও এখন প্রায় তেমন। দুটির মধ্যে পার্থক্য খুবই সামান্য। এআই ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তার জন্য আমরা আসলে প্রস্তুত নই। এ ক্ষেত্রে কিছু আইন থাকা দরকার।’

সামাজিক মাধ্যমে এআই দিয়ে কারও ছবি তৈরি বা অপব্যবহার করা হলে তা জানানোর ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন কৃতি। উদাহরণ হিসেবে ইনস্টাগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, ইনস্টাগ্রামে আমি যদি কোনো কিছু রিপোর্ট করতে চাই, সেখানে এমন কোনো বিকল্প নেই, যেখানে বলা যাবে, ‘এটি এআই দিয়ে তৈরি আমার ছবি, তাই এটি রিপোর্ট করে সরিয়ে দেওয়া উচিত।’ প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এখনো তত দ্রুত এগোতে পারছি না।”

ক্যাটাগরি