“৩৬ জুলাই: দ্বিতীয় বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে স্মৃতির ফুলে দ্রোহের জুলাই”
“স্মৃতির ফুলে দ্রোহের জুলাই” শিরোনামে বায়তুল হিকমাহ মাদ্রাসা অক্সিজেন শাখা চট্টগ্রাম এর সাংস্কৃতিক ক্লাব আল হিকমাহ কালচারাল একাডেমির পরিচালনায় চিত্রাঙ্কন/গ্রাফিতি, সংঙ্গীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে; যাতে করে সাধারণ ছাত্র- ছাত্রীদের মাঝে দেশপ্রেম ও জুলাই জাগরণ সৃষ্টি হয়। বায়তুল হিকমাহ হিফজ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ আহমদ সাহেবের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান আরম্ভ হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বায়তুল হিকমাহ ফাউন্ডেশনের অন্যতম ডিরেক্টর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জনাব মো: কামাল উদ্দিন চৌধুরী, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব হাফেজ মাওলানা ফজলে এলাহি ত্বহা অ্যাডজাংক্ট লেকচারার (আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম), অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বায়তুল হিকমাহ মাদ্রাসার সম্মানিত উপাধ্যক্ষ জনাব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বায়তুল হিকমাহ মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষা সচিব জনাব এস এম নাহিদুল ইসলাম ও আল হিকমাহ কালচারাল একাডেমির সম্মানিত পরিচালক জনাব মোহাম্মদ নুরুল আলম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বায়তুল হিকমাহ মহিলা মাদ্রাসার সম্মানিত কো-অর্ডিনেটর জনাবা জ্যোস্না আক্তার।
দুই বছর আগে ইতিহাসের পাতায় যে জুলাই আত্মত্যাগ, সাহস, ঐক্য ও গণমানুষের প্রত্যয়ের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে স্থান করে নিয়েছিল, আজ সেই স্মৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করে পালিত হচ্ছে ৩৬ জুলাই-এর দ্বিতীয় বর্ষ। এই উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে সেই সময়ের ঘটনা, অংশগ্রহণকারীদের অবদান এবং জাতীয় চেতনাকে। জুলাই কেবল একটি মাসের নাম নয়; এটি অনেকের কাছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, আশা ও নতুন সম্ভাবনার প্রতীক। সময়ের ব্যবধানে ঘটনাগুলো ইতিহাসের অংশ হলেও স্মৃতিগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে জীবন্ত। তাই দ্বিতীয় বর্ষের এই আযোজন শুধু অতীত স্মরণ নয়, ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতারও এক দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে এ দিনটি। বক্তারা বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
“স্মৃতির ফুলে দ্রোহের জুলাই” এই শিরোনাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাসকে ভুলে নয়, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হয়। অতীতের ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস পৌঁছে দেওয়াই হোক এই দিবসের মূল অঙ্গীকার।
দ্বিতীয় বর্ষের এই আযোজনে সকলের প্রত্যাশা-জুলাইয়ের স্মৃতি প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং জাতীয় স্বার্থ, ন্যায়, মানবতা ও উন্নয়নের পথে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করবে।