চট্টগ্রাম, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২ , ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কারফিউ জারি দিল্লিতে

প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ২:২৫ : অপরাহ্ণ

ভারতে ধীরে ধীরে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। রাজধানী নয়াদিল্লিতে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কারফিউ জারির ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার।

সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন বিধিনিষেধ। ভারতে করোনার দাপট আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। হলুদ সতর্কতা জারি হতে পারে বলেও ধারণা তাদের। এদিকে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করায় সতর্ক থাকতে প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান।


ভারতে প্রতিদিনই বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের বিভিন্ন রাজ্যে। ইতোমধ্যে রাজধানী নয়াদিল্লি, তামিলনাড়ু, হরিয়ানা, গুজরাটসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভ্যারিয়েন্ট। থেমে নেই কোভিড ১৯ সংক্রমণের হারও।

নয়াদিল্লিতে একদিনেই ২৯০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন একজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারির ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় কর্ণাটক রাজ্যে দশদিনের কারফিউ জারি করা হয়। ভারতে করোনার দাপট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। খুব শিগগিরই হলুদ সতর্কতা জারি হতে পারে বেশ কিছু রাজ্যে। এমনটা হলে রাজধানীর সিনেমা হল, স্টেডিয়াম, জিমনেসিয়ামসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। আপাতত দিল্লিতে রেস্তোরাঁ, বার, অডিটোরিয়ামে ৫০ শতাংশ এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে ২০০ জনের উপস্থিতির নিয়ম কার্যকর রয়েছে।
তবে এমন পরিস্থিতিতেও আশার বাণী শোনালেন দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ভারতের নয়াদিল্লিতে চিকিৎসারত ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীরা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। এ বিষয়ে ভারতীয় চিকিৎসক সুরেশ কুমার ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ওমিক্রন আক্রান্ত ৯০ শতাংশ রোগীর তেমন কোনো গুরুতর লক্ষণ নেই। ওষুধ ও ঘরোয়া চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। আর কিছু রোগীদের মধ্যে লক্ষণ বলতে সামান্য জ্বর, গলা ও শরীর ব্যথা, ডায়রিয়া দেখা দিচ্ছে। এর বাইরে রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ ও রেমডিসিভির প্রয়োজন হচ্ছে না

এ দিকে জাপানে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ায় আগে থেকেই সতর্ক থাকতে প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির সরকার। ওসাকা, কিয়োতো ও টোকিও কর্তৃপক্ষ সেখানকার বাসিন্দাদের কোনো ধরনের উপসর্গ না থাকলেও ইতোমধ্যেই বিনামূল্যে ভাইরাস পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, গেল ২২ ডিসেম্বর ওসাকায় তিনজনের শরীরে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়।

Print Friendly and PDF