চট্টগ্রাম, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০ , ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ চট্টগ্রামে অর্ধশত গ্রামে আজ পালিত হচ্ছে ঈদুল আযহা

প্রকাশ: ৩১ জুলাই, ২০২০ ৩:৪৮ : অপরাহ্ণ

মোঃ নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে দেশের প্রচলিত নিয়মের একদিন আগেই দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭টি উপজেলার অর্ধশত গ্রামে (আজ ৩১ জুলাই) শুক্রবার পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা।

এসব গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার আজ পশু কোরবানি দিয়েছেন।গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার মীর্জাখীল, চরতি, সুঁইপুরা, গাটিয়া ডেঙ্গা, পটিয়া উপজেলার কালারপোল, হাইদগাঁও, মলপাড়া, বাহুলী; চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, গাছবাড়িয়া, হারালা, বাইনজুড়ী, কানাইমাদারি, ঢেমশা; আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ, বুরুমছড়া, বারখাইন, সরকারহাট, গহিরা, বারশত; বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, পূর্ব গোমদন্ডী, পশ্চিম কধুরখীল; বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, পূঁইয়াছড়া ও ডোমার এবং লোহাগাড়ার কলাউজান।

একদিন আগে ঈদুল আযহা উদযাপনকারীদের বেশির ভাগই চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সিলসিলিয়া আলীয়া জাহাগীর দরবার শরীফের পীরের অনুসারী।

জনশ্রুতি আছে, প্রায় দু’শ বছর আগে পীরসাহেব তার মুরিদদের নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি আরবে যেদিন চাঁদ দেখা যাবে পরদিন থেকেই বিশ্বের সবখানে রোযা পালন শুরু হবে। একইভাবে ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহাও পালন করতে হবে সৌদি আরবের অনুসরণে।

এরপর থেকেই এসব গ্রামে সৌদি আরবের রীতি অনুসারে রোযা ও দুটি ঈদ পালন চলে আসছে।

জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রামে আজ বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতকানিয়ার মীর্জাখীল জাহাগীর পীরের দরবার শরীফে। সেখানে সকালে প্রায় শত
শত লোক ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

শুক্রবার মির্জাখীল দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরীফের পীরজাদা মওলানা ড. মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান।

তবে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফে এসে ঈদের জামাতে অংশ নিলেও এবার নিজ নিজ এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের জামাত আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছে দরবার কর্তৃপক্ষ।

করোনার কারণে এবার দরবার শরীফে বড় ঈদ জামাতের আয়োজন হয়নি। নিজ নিজ এলাকায় ছোট পরিসরে ঈদের জামাত আয়োজনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সাতকানিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে আগাম ঈদ উদযাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী সাংবাদিক দিদারুল আলম।

Print Friendly and PDF

———