চট্টগ্রাম, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০ , ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ভুয়া করোনা রির্পোটের কথা জানতেন স্বাস্থ্য ডিজি!

প্রকাশ: ১১ জুলাই, ২০২০ ৭:৩৭ : অপরাহ্ণ

করোনা পরীক্ষায় প্রতারণার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকক আবুল কালাম আজাদকে আগেই জানিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী।

নমুনা পরীক্ষা না করেই হাজার হাজার মনগড়া করোনা রির্পোট সরবরাহের অপকর্ম প্রকাশ্যে আসার বেশ কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে আছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুী। এঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সিইও আরিফ চৌধুরীসহ বর্তমানে ৬ জন করাগারে রয়েছেন।

এ দিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে ডা. সাবরিনা বলেছেন, তিনি নাকি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানই না। তিনি জেকেজির দুর্নীতির বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকে তিনি অভিযোগ দিয়েছিলেন।

করোনা টেস্টের প্রতারণার খবর সামনে আসার আগে তিনি নিজেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জেকেজির চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎকার দেন। কিন্তু প্রতারণা ফাঁস হওয়ার পর তিনি সুর পাল্টান।

এ বিষয়ে ‍পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা করোনার উপসর্গ থাকা রোগীদের বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেয়। তবে নমুনা সংগ্রহ করার পর তা আর পরীক্ষা করা হয় না। তাদের নেই কোন ল্যাব। কম্পিউটারে ফলাফল লিখে ই-মেইলে তা রোগীর কাছে পাঠিয়ে দেয়। এভাবেই ইতোমধ্যে ৩৭ জনের ভুয়া কোভিড-১৯ টেস্ট রিপোর্ট জানিয়ে দেয় তারা। নমুনা সংগ্রহের সময় রোগীর বাহ্যিক উপসর্গ দেখে একটা ধারণা থেকে ফলাফল তৈরি করে। করোনার বাহ্যিক উপসর্গ দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে তার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ উল্লেখ করে। কোনো উপসর্গ না দেখা দিলে তার রিপোর্টে নেগেটিভ উল্লেখ করা হয়।

করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জন্য জেকেজি হেলথকেয়ারকে দেয়া নমুনা সংগ্রহ, বুথ স্থাপন ও প্রশিক্ষণের সব অনুমতি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এর আগে, দেশে নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের পর নমুনা পরীক্ষার সুবিধার্থে জেকেজি হেলথকেয়ারকে অনুমতি দেওয়া হয় বুথ স্থাপনের। রোগীর নমুনা সংগ্রহের অনুমতিসহ তাদের কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্যেও অনুমতি পায় সংস্থাটি।

Print Friendly and PDF

———