চট্টগ্রাম, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০ , ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের দুই এলাকা হটস্পট-ক্লাস্টার জোনে পরিণত, আইসিইউ সঙ্কটে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল, ২০২০ ১০:৩৯ : পূর্বাহ্ণ

ধীরে ধীরে করোনার হটস্পট ও ক্লাস্টার জোনে পরিণত হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর সাগরিকা এলাকা ও সাতকানিয়া উপজেলা। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা। আইসিইউ সঙ্কটে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। খবর সময় টিভি

গত ৩ এপ্রিল ফৌজদারহাট বিআইটিআইডিতে নমুনা পরীক্ষা করে নগরীর দামপাড়ায় প্রথম একজনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়। এরপর থেকে চট্টগ্রামে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ জন করে শনাক্ত হচ্ছেন। তবে ১৪ এপ্রিল সংক্রমণ বেড়ে একদিনেই ১১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হন ১২ জন।

এর মধ্যে সাতকানিয়া উপজেলায় ৮ জন এবং নগরীর পাহাড়তলীতে একই পরিবারের পাঁচজনসহ ৬ জন। একজন চিকিৎসকও রয়েছেন এ তালিকায়। নারায়ণগঞ্জ ও ওমরাহ ফেরতরাই এর কানেকশন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, যেহেতু পরীক্ষা বেশি হচ্ছে তাই কেসও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

আক্রান্তের হারে বেশি সাতকানিয়া উপজেলার ইছামতি আলীনগরে করোনা ছড়িয়েছে ৬৯ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ থেকে। আর নগরীর পাহাড়তলীর সাগরিকা এলাকায় নারায়ণগঞ্জ ফেরত গার্মেন্টস কর্মী থেকে। তাই দুটি এলাকাই পরিণত হয়েছে হট স্পটে। লকডাউন করা হয়েছে বেশকিছু এলাকা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, চট্টগ্রামের কিছু কিছু এলাকায় আমরা কিছু ক্লাস্টার রোগী পাচ্ছি।

চট্টগ্রামে আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার জন্য আইসিইউ না থাকাকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। আর সাধারণ মানুষ নিয়ম না মানায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

স্বাচিপ গঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সমন্বয়ক ডা. মিনহাজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে করোনা রোগীকে এখন পর্যন্ত কোনো আইসিইউ সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছি।

সেনাবাহিনীর টহল টিম টিম লিডার ক্যাপ্টেন কাফিউন নাহার বলেন, মানুষ এখনও সচেতন না। আমরা কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু সেভাবে কার্যকর হচ্ছে না। জনগণ বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে বাইরে ঘোরাফেরা করছে।

চট্টগ্রামে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৯০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

Print Friendly and PDF

———