চট্টগ্রাম, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০ , ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

খালেদাকে সকালে দেয়া জামিন বিকালে প্রত্যাহার

ঢাকাটাইমস প্রকাশ: ১২ মার্চ, ২০২০ ৯:২৫ : অপরাহ্ণ

মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ নড়াইলে দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। তবে বৃহস্পতিবার সকালে দেয়া ওই জামিন বিকালেই প্রত্যাহার করে নিয়েছে ওই বেঞ্চ। একইসঙ্গে অবকাশের পর আগামী এপ্রিল মাসে এই বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থায়ী জামিন দিয়ে বিকালে তা প্রত্যাহার করে নেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া। অপরদিকে খালেদার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামারুজ্জামান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া সাংবাদিকদের বলেন, আদালত প্রথমে খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছিলেন। তখন আমরা উপস্থিত ছিলাম না। পরে আমরা আদালতকে বলি, এই মামলায় খালেদা জিয়া ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস জামিনে আছেন। রাষ্ট্রপক্ষের কাছে এই মামলার নথি নেই। আমরা রুল শুনানি করতে চাই। তখন আদালত আমাদের আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। অবকাশকালীন ছুটির শেষ হওয়ার পর রুল শুনানি হবে।

২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট তাকে এই মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় মানহানির অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নড়াইল সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন জেলার নড়াগাতী থানার চাপাইল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রায়হান ফারুকী ইমাম।

পরে ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট এ মামলায় নড়াইলের আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর হয়। এরপর ওই মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়া একই বছরের ৯ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি একটি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। সেই মামলায় সাজা বাড়ার পাশাপাশি আরেক মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। কারাবন্দি খালেদা জিয়া গত বছরের এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কয়েক দফায় জামিন আবেদন করলেও সব মামলায় জামিন মেলেনি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর।

Print Friendly and PDF

———