চট্টগ্রাম, সোমবার, ১ জুন ২০২০ , ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনায় মৃত্যু ৩৪ হাজার, আক্রান্ত ৭ লাখ ছাড়ালো

প্রকাশ: ৩০ মার্চ, ২০২০ ৮:৪১ : পূর্বাহ্ণ

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। সোমবার সকাল পর্যন্ত করোনায় নিহতের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৯৬৬ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৪৬ জন। অপরদিকে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩১২ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনাভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪২ হাজার ৪৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৪৮৪ জনের।

মৃত্যুর দিক দিয়ে সবার ওপরে রয়েছে ইতালি। দেশটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৬৮৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৯ জনের। এরপরই রয়েছে স্পেন। সেখানে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৬৮০৩ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ১১০ জন। এ তথ্য জানিয়েছে করোনাভাইরাস নিয়ে লাইভ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডমিটার।

চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত আড়াই মাসে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।

এই ভাইরাসে শুধুমাত্র চীনের মূল ভূখণ্ডেই আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৯ জন। আর মারা গেছেন ৩ হাজার ৩০০ জন। তবে এখন চীনে এই হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। গত কয়েকদিনে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ঠিক কীভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছিল- সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, উহানের একটি সি ফুড মার্কেটে কোনো প্রাণী থেকে এ ভাইরাস প্রথম মানুষের দেহে আসে। তারপর মানুষ থেকে ছড়াতে থাকে মানুষে।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Print Friendly and PDF

———