চট্টগ্রাম, রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ , ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাস

দ্বিগুণ বেড়ে একদিনে রেকর্ড মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ৯:৪১ : পূর্বাহ্ণ

চীনের ভয়াবহ করোনাভাইরাসে প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল হুবেই প্রদেশে নতুন করে মারা গেছে আরও ২৪২ জন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়ে সব ধরনের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। কোভিড-১৯ নাম পাওয়া ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫৫ জন।

ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বলে হুবেই প্রদেশের হেলথ কমিশন জানায়। বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত নতুন করে ১৪ হাজার ৮৪০ জন আক্রান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশটিতের ভাইরাসটি সংক্রমণ ঘটেছে ৫৯ হাজার ৪৪০ জনের দেহে।

গত বছরের শেষের দিকে হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত শহরটিতেই নিহতের সংখ্যা বেশি। সংক্রমণ ঠেকাতে উহানসহ প্রদেশটির একাধিক শহরকে গোটা চীন থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। এরপরও ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধ করা যায়নি।

গত শনিবার পর্যন্ত অন্তত ২৫টি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দুজন ছাড়া সবাই চীনের মূল ভূখণ্ডেই মারা যান। বাকি দুজন মারা যান হংকং এবং ফিলিপাইনে।

এত দিন পর্যন্ত নতুন করোনাভাইরাসটির কোনো নাম ছিল না। তবে গত মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও এর নাম দেয় কোভিড-১৯। করোনার কো, ভাইরাসের ভি, ডিজিজের ডি ও উৎপত্তিকাল ২০১৯-এর ১৯ মিলে হয়েছে নতুন এই রোগের নাম।

করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগের কোনো প্রতিষেধক এবং ভ্যাকসিন নেই। মৃতদের অধিকাংশই বয়স্ক যাদের আগে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা ছিল।

সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এই রোগের লক্ষণ হলো- শুকনো কাশির পর জ্বর আসে। সপ্তাহখানেক পর শ্বাস-প্রশ্বাস কমে যায়। এরপর আক্রান্তদের মধ্যে কিছু লোককে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন দেখা দেয়। প্রতি চারজনের একজনের অবস্থা খুবই খারাপ হয়।

Print Friendly and PDF

———