চট্টগ্রাম, রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ , ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আপডেট

পটিয়ার দুর্ঘটনায় চকবাজারের কাউন্সিলর মিন্টুর ভাগ্নে দম্পতিসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ৬:০৭ : অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জন ও অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।পুলিশ বাস দুটিকে জব্দ করলেও বাসের চালকরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

আজ (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজারগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে পটিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলে ওমর ফারুক (৩৫) ও জাহেদ হোসেন (৪১) নামে দুইজন যাত্রী মারা যান।

আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলে নিগার সুলতানা (৩২) নামে অপর যাত্রী মারা যান। জাহেদ এবং নিগার ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। দুর্ঘটনায় আহত তাদের চার বছরের ছেলেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের পটিয়া ফাঁড়ির পরিদর্শক বিমল ভৌমিক বলেন, কক্সবাজার থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বিসমিল্লাহ পরিবহনের একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এদের মধ্যে দু’জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আরও একজন হাসপাতালে মারা গেছেন বলে শুনেছি।

চট্টগ্রাম দমকল বাহিনীর উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেন, বাহিনীর তিনটি গাড়ি উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চমেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনে বিমর্ষ চেহারায় দাঁড়িয়ে থাকা ওমর ফারুকের চাচাতো ভাই মো. শফিক গনমাধ্যমকে বলেন, ফারুক ছিলেন হোটেল ব্যবসায়ী। চট্টগ্রাম নগরের পাঠানটুলি এলাকায় স্ত্রী ও চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি ব্যক্তিগত কাজে বান্দরবান গিয়েছিলেন। সেখান থেকে পটিয়া হয়ে লোকাল বাসটিতে করে ফিরছিলেন।

জাহেদের মামা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু গনমাধ্যমকে বলেন, তার ভাগ্নে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে পটিয়ায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। বাবা-মা হারিয়ে চার বছরের ছেলেটি এখন অসহায় হয়ে গেলো!

Print Friendly and PDF

———