চট্টগ্রাম, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ , ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অধীরের মিষ্টি লোহাগাড়ায় কেড়েছে দৃষ্টি

প্রকাশ: 2 November, 2019 9:43 : AM

আলাউদ্দিন, লোহাগাড়া প্রতিনিধি :

কাঁচে ঘেরা দোকান। পরিপাটি ও পরিস্কার পরিবেশ। তাকে তরে তরে সাজানো থাকে মিষ্টি। এভাবেই বাংলাদেশের প্রচলিত মিষ্টির দোকানগুলো দেখা যায়। এই নিয়ম ভেঙ্গে লোহাগাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি এলাকার বাসিন্দা অধীর দাশ (৬৫) বিগত ৩৫ বছর ধরে লোহাগাড়ার বিভিন্ন হাট- বাজারে মিষ্টি ফেরি করে বিক্রি করছেন।

১ নভেম্বর (শুক্রবার) সকালে লোহাগাড়া সদরের দরবেশহাটে মিষ্টি বিক্রেতা অধীর দাশকে ফেরি করে মিষ্টি বিক্রি করতে দেখতে পায় এই প্রতিবেদক। হাতে বয়াম নিয়ে জনে জনে মিষ্টি বিক্রি করেই চলেছেন তিনি।

অভিনব উপায়ে মিষ্টি করা দেখে কৌতূহল হয়।কাছে গিয়ে ছবি তুলতেই তিনি বলেন ছবি তুললেন কেন? বললাম, অনলাইনে নিউজ করবো। পরিচয় পেয়ে শুরু হলো তার কথা বলা। বললেন, আপনি ছবি তুলেন আমি সুন্দর করে দাড়াচ্ছি ।

মিষ্টি বিক্রির ফাঁকে ফাঁকে কথা হয় অধীর দাশের সাথে। তিনি বলেন, নিজ বাড়িতে বাবার কাছ থেকেই মিষ্টি তৈরি শিখেছিলাম সেই ছোটবেলায়।
গৃহস্থ ও বেপারিদের কাছ থেকে কেনা ৭লিটার দুধের একটি চাকে ১কেজির মতো ছানা হয়। ১ কেজি ছানা সমান ২কেজি মিষ্টি হয়। প্রতিদিন খুব সকালে বাড়ি থেকে ২ বয়াম মিষ্টি নিয়ে বেরিয়ে পড়ি উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজার, স্কুল কলেজের সামনে। প্রতি পিচ মিষ্টি ৫ টাকা দরে বিক্রি করি।

এছাড়া কেউ বাড়ির জন্য নিতে চাইলে ১বয়ামে ৫০টা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করি। দৈনিক ২ হাজার থেকে ২৫০০ টাকা বিক্রি হয়। সেখান থেকে ৫০০/৭০০ টাকা লাভ করে কোন রকম সংসার চালাচ্ছি বলে যোগ করেন অধীর দাশ।

অধীরের মিষ্টি কেনার সময় দরবেশ হাটের ব্যবসায়ী ইসমাঈল হোসেন সাঈদ বলেন , আগেও আমি তার কাছ থেকে মিষ্টি কিনেছি। দোকানের অন্যান্য মিষ্টি থেকে অধীরের মিষ্টি আলাদা। এই মিষ্টি মুখে আলাদা একটা স্বাদ পাওয়া যায় যা অন্য আমি অন্য মিষ্টিতে পাইনা।

Print Friendly and PDF

———