চট্টগ্রাম, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ , ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্য থেকে আরো সি-১৩০জে এয়ারলিফটার কিনছে বাংলাদেশ

সিটিজি টাইমস ডেস্ক প্রকাশ: ২২ জুন, ২০১৯ ১:৩৪ : অপরাহ্ণ

যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে বাংলাদেশ লকহিড মার্টিনের তৈরি আরো কয়েকটি সি-১৩০জে হারকিউলিস ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট কিনছে। চুক্তির মধ্যস্থতাকারী মার্শাল এরোস্পেস এন্ড ডিফেন্স গ্রুপ (এডিজি) ২০ জুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে মার্শাল এডিজি’র মাধ্যমে এ ধরনের আরো দুটি বিমান কিনেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি। এখন বাংলাদেশ অজ্ঞাত সংখ্যক সি-১৩০জে তার বহরে যুক্ত করতে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) তার নয়টি খর্বদেহী সি-১৩০জে (যুক্তরাজ্যের সার্ভিসে এগুলো সি৫ নামে পরিচিত) বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়। চারটি ছাড়া বাকিগুলো ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আরো সি-১৩০জে এয়ার ক্রাফট কেনায় সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সঙ্গে মার্শাল এডিজি’র নতুন একটি মাল্টি-মিলিয়ন পাউন্ড চুক্তি সই হয়েছে। এটা ২০১৮ সালের মে মাসে স্বাক্ষরিত চুক্তির অতিরিক্ত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সি-১৩০জে বহরের পুরোটাকে সার্বিক সহায়তা দেবে মার্শাল।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তার বর্তমান এয়ারলিফট সামর্থ্য বাড়াতে আরএএফ থেকে সি-১৩০জে এয়ারক্রাফট কেনে। দেশের ভেতরে বিমানগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা প্রদানসহ বিমানগুলোতে পরিবর্তন আনবে মার্শাল। এর মধ্যে মেডিকেল ইভাকুয়েশন (মেডিভেক) ক্যাপাবিলিটি ডিজাইনিং, উন্নয়ন, ও সংযোজনের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে জাতিসংঘ মিশনে কাজ করতে পারবে।

নতুন এয়ারক্রাফট সংগ্রহের ফলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী চারটি সি-১৩০বি এয়ারক্রাফট অবসরে পাঠাতে পারবে। ২০০১ সাল থেকে এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ব্যবহৃত অবস্থায় এগুলো কেনা হয়েছিলো। এছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তিনটি আন্তনভ এন-৩২ ‘ক্লিন’ ও তিনটি এল-৪১০ইউভিপি-২০০ পরিবহন বিমান রয়েছে। এগুলো যথাক্রমে ১৯৮৯ ও ২০১৫ সাল থেকে কাজ করছে। সূত্র: জেনিস ডিফেন্স উইকলি।

Print Friendly and PDF

———